Iran Interim Supreme Leader: মাদ্রাসার প্রচারক, খামেনেইয়ের আস্থাভাজন! সেই আরাফি পেলেন ইরানের অন্তর্বর্তী প্রধানের দায়িত্ব
Iran Israel War: ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, খামেনেইয়ের শূন্যস্থান পূরণে আয়াতোল্লা আলীরেজা আরাফি নামে অন্য এক বর্ষীয়ান ধর্মীয় নেতাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইরানের সংবিধানের ১১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নয়া সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার খোঁজে গঠিত হয়েছে তিন সদস্যের কাউন্সিল। সেই কাউন্সিলেই আইনজ্ঞ হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে তাঁকে।

তেহরান: খামেনেই আর নেই! ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে ছিলেন তিনি। কয়েক দশক ধরে তাঁর কথাই হয়েছে শেষ কথা। কিন্তু শনিবার আমেরিকার ‘দেখানো পথে’ ইজরায়েলি হামলায় সমাপ্ত হয়েছে সেই পর্বের। মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলী খামেনেইয়ের। তা হলে এরপর কে? খামেনেই শূন্যস্থান পূরণ করতে কাকে বেছে নিতে চায় ইরান?
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাদের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, খামেনেইয়ের শূন্যস্থান পূরণে আয়াতোল্লা আলীরেজা আরাফি নামে অন্য এক বর্ষীয়ান ধর্মীয় নেতাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ইরানের সংবিধানের ১১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নয়া সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার খোঁজে গঠিত হয়েছে তিন সদস্যের কাউন্সিল। সেই কাউন্সিলেই আইনজ্ঞ হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে তাঁকে। পাশাপাশি নয়া সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নিযুক্ত না-হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসাবেও দেশ সামলাবেন তিনি।
তবে এই কাউন্সিলে আরাফি ছাড়াও রয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েস্কিয়ান এবং ইরানের প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেন মোহসেনি-এজে’ইয়ে। আপাতত এই ত্রয়ীর নজরদারিতেই চলবে ইরান। যা আগে একা হাতে সামলাতে খামেনেই।
কে এই আলীরেজা আরাফি?
১৯৫৯ সালে জন্ম, ৬৭ বছরের আরাফি ইরানের ধর্মীয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। অন্তর্বর্তী প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বে খামেনেইয়ের শাসনকালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ইরানের আলেমদের পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান এবং ক্ষমতাশালী গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য এই আরাফি। খামেনেইয়ের অন্যতম আস্থাভাজন। ইরানে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রচারও এই আরাফির হাত ধরেই। বর্তমানে ইরানের মাদ্রাসা বোর্ডেরও প্রধান তিনি। তবে রাজনৈতিক বা সামরিক যোগসূত্র তাঁর নেই। যা রয়েছে সবটাই খামেনেই ও ইরানের ধর্মীয় প্রচার কাজে।
