আক্রমণ হলে যেন আত্মরক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকে সেনা, হাসিনার হুঁশিয়ারি
হাসিনা বলেন, "আবারও বলব আমরা শান্তি চাই। বন্ধুত্ব চাই । বৈরিতা চাই না, যুদ্ধ চাই না।"

TV9 বাংলা ডিজিটাল: যুদ্ধ নয় শান্তি চায় বাংলাদেশ। তবে আক্রমণ হলে আত্মরক্ষারও ক্ষমতা থাকতে হবে। তাই সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। আজ সকালেই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর আট সংস্থার পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে ভিডিও কফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সামিল হন হাসিনা। সপ্তম পদাতিক সেনাবাহিনীর লেবুখালির সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হয় এই ভার্চুয়্যাল অনুষ্ঠান। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যদি কখনও আমরা আক্রান্ত হই, সেটা মোকাবিলা করার মতো শক্তি যেন আমরা অর্জন করতে পারি। সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই।”
তবে তিনি স্পষ্ট করেই জানিয়ে দেন তারা যুদ্ধের বিরোধী। হাসিনা বলেন, “আবারও বলব আমরা শান্তি চাই। বন্ধুত্ব চাই । বৈরিতা চাই না, যুদ্ধ চাই না।” বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে জানান, বাংলাদেশও যুদ্ধের ভুক্তভোগী। তাই শান্তির পথ বেয়ে তারা প্রগতির পথে এগোতে চান।
হাসিনা জানান, যখনই তাঁর সরকার এসেছে তখন থেকেই সেনা বাহিনীর জীবনমান উন্নতির চেষ্টা করেছেন। বিদেশ নীতির কথা বলতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেন, “আমাদের পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত স্পষ্ট। আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাইনা। বন্ধুত্ব চাই। বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়েই আমরা বাংলাদেশের উন্নতি চাই।”
বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোনও হুমকির মোকাবিলার জন্য সদা প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা। এছাড়াও সেনাবাহিনীকে পারস্পরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ অটুট রাখার কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক। তাই মানুষের আস্থা অর্জন করে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেন শেখ হাসিনা।
প্রধান অতিথি হাসিনা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। সেনা প্রধানের উপস্থিতিতেই প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর প্রত্যেক সদস্যকে পেশাগতভাবে দক্ষ এবং সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে সৎ হয়ে ওঠার উপদেশ দেন।
