Tarique Rahman: এভাবেও ফিরে আসা যায়…১৭ বছর যে বাংলাদেশে পা রাখতে পারেননি, সেই বাংলাদেশেরই প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক?

Next PM of Bangladesh: ২০২৫ সালের শেষভাগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। তখনও তারেক ফিরবেন  কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছিল। অবশেষে এলেন তারেক। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর। বিমান থেকে নেমে দেশের মাটি মাথায় ছুঁইয়ে প্রণাম করেছিলেন তারেক। তখনই তিনি যেন স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, এই মাটি তাঁর।

Tarique Rahman: এভাবেও ফিরে আসা যায়...১৭ বছর যে বাংলাদেশে পা রাখতে পারেননি, সেই বাংলাদেশেরই প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক?
তারেক রহমান।Image Credit source: PTI

|

Feb 13, 2026 | 7:43 AM

ঢাকা: সত্যি, কামব্যাক হয়তো এটাকেই বলে! ২০০৮ সালে গ্রেফতারি, জামিন পেতেই চিকিৎসার জন্য দেশ ছেড়েছিলেন। দেশ উথাল-পাতাল হলেও তিনি আর ফেরেননি।  প্রায় ১৭ বছর পর অবশেষে বাংলাদেশে পা রাখেন তারেক রহমান। আর দেশে ফেরার এক মাস কাটতে না কাটতেই প্রধানমন্ত্রী পদ যেন তার জন্য অপেক্ষা করছে। এই জন্যই হয়তো তিনি বিএনপি-র ডার্ক প্রিন্স।

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে অনেকেই বলেছিলেন ডার্ক প্রিন্সের কামব্যাক। এই ডার্ক প্রিন্স নাম পাওয়ার পিছনেও রয়েছে কারণ। মা খালেদা জিয়ার আড়ালে থাকতেন তারেক। তবে সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নাকি তিনিই নিতেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এভাবেই সরকার চালিয়েছেন তিনি। তবে সেনার অধীনে কেয়ারটেকার সরকারের আমলে, ২০০৮ সালে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারির পরই জামিন পেয়ে দেশ ছেড়েছিলেন তারেক। বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে লন্ডনে সপরিবারে ছিলেন তিনি। বিএনপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন দূর থেকেই।

এদিকে পদ্মার পাড়ে এতদিনে এসেছে অনেক পরিবর্তন। ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পড়ে পতন হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের। তৈরি হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ইউনূসের আমলেও তারেক দেশে ফিরবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। ২০২৫ সালের শেষভাগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। তখনও তারেক ফিরবেন  কি না, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছিল। অবশেষে এলেন তারেক। ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর। বিমান থেকে নেমে দেশের মাটি মাথায় ছুঁইয়ে প্রণাম করেছিলেন তারেক। তখনই তিনি যেন স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, এই মাটি তাঁর। তিনি এই মাটি ছেড়ে যাবেন না।

আর তারেক রহমান ফিরতেই বিএনপি যেন নতুন করে অক্সিজেন পেল। দুই বছরেরও বেশি সময় অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে কাটিয়ে আশার আলো দেখেছিলেন সাধারণ দেশবাসীও। সেই আশা-ভরসার প্রমাণও মিলেছে। জনগণ প্রমাণ করেছেন, জামাতের মতো কট্টরপন্থী দল নয়, তারেকের উপরে তাদের বিশ্বাস রয়েছে। ঢাকা ১৭ ও বগুড়া-৬ – দুই আসন থেকেই জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান। দেশে ফিরেই যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সেই স্বপ্নপূরণের কাজ করবেন তারেক। খালেদা জিয়ার অবর্তমানে বিএনপির দায়িত্ব যেমন তাঁর কাঁধে বর্তেছে, তেমনই এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদেও বসতে চলেছেন তারেক।