Railways: কলকাতা থেকে কল্যাণীর সমান দূরত্ব পার করতে হয় সুড়ঙ্গের মধ্য়ে দিয়ে, কোথায় আছে এমন রেলপথ
Railways: এ যেন এক কল্পকাহিনী! তবে পৃথিবীর মাটিতেই রয়েছে এমন সব রেলপথ। অন্ধকার গহ্বরে সে যেন নরকের রাস্তা। এমন তিনটি রেলপথের কথা জেনে নিন

ট্রেন যাত্রা মানেই পিছন দিকে ছুটে চলা গাছপালা, পাহাড়গুলোর দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকা। সবুজ মাঠের মাঝখান দিয়ে কিংবা নদীর বুকে থাকা সেতু পেরিয়ে গতির ছন্দে হারিয়ে যাওয়াই রেলযাত্রা। কোথাও কোথাও বরফঢাকা পাহাড় বা উত্তাল সমুদ্রও দেখা যায়, তবে এমনও এক রেলপথ আছে, যেখানে দিন হোক বা রাত, ট্রেন ছুটবে শুধুই অন্ধকারে। দেখা যাবে শুধুই লোহার দেওয়াল।
এ যেন এক কল্পকাহিনী! তবে পৃথিবীর মাটিতেই রয়েছে এমন সব রেলপথ। অন্ধকার গহ্বরে সে যেন নরকের রাস্তা। এমন তিনটি রেলপথের কথা জেনে নিন
সুড়ঙ্গের নাম গথার্ড বেস টানেল। ২০১৬ সালে চালু হয় সেটি। ঠিকানা সুইজারল্যান্ড। সুইস আল্পস পর্বতমালার নীচ দিয়ে গিয়েছে সেই সুড়ঙ্গ। যুক্ত হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ইউরোপ। এটাই বিশ্বের দীর্ঘতম রেল টানেল। এই টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। ১২ বছর ধরে তৈরি হয় সেটি। এর দৈর্ঘ্য ৫৭.০৯ কিলোমিটার। অর্থাৎ কলকাতা থেকে প্রায় কল্যাণীর সমান দূরত্ব পার করতে হবে টানেলের মধ্যে দিয়ে।
এছাড়া জাপানে আছে এরকম আরও একটি দীর্ঘ রেল টানেল। সেটি জাপানের হোনশু এবং হোক্কাইডো দ্বীপপুঞ্জকে সংযুক্ত করে। জল নীচ দিয়ে তৈরি হওয়া সুড়ঙ্গের মধ্যে এটি দীর্ঘতম। মোট ১৭ বছর সময় লেগেছিল এটি বানাতে। সুনামিতেও এই টানেলের কোনও ক্ষতি হয় না।
ইউকে-র ডোভার এবং ফ্রান্সের ক্যালাইসকে সংযুক্ত করেছে যে টানেল, তার দৈর্ঘ্য ৫০.৪৫ কিমি। ইংলিশ চ্যানেলের নীচ দিয়ে গিয়েছে সেই টানেল। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৭.৯ কিলোমিটার।
