AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Iran Unrest: ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে ২৫ শতাংশ ‘ট্যারিফ’, ঘোষণা ট্রাম্পের! প্রস্তুত রেখেছেন সেনাও

USA on Iran Unrest: অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ইরানে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। খামেনেইয়ের মোতায়েন করা সেনা-পুলিশের গুলিতে প্রাণ যাচ্ছে একের পর এক বিক্ষোভকারীর। ইতিমধ্য়েই গোটা ঘটনাক্রমে বারংবার নাক গলানোর চেষ্টা করেছে আমেরিকা।

Iran Unrest: ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলে ২৫ শতাংশ 'ট্যারিফ', ঘোষণা ট্রাম্পের! প্রস্তুত রেখেছেন সেনাও
ডোনাল্ড ট্রাম্প।Image Credit: PTI
| Updated on: Jan 13, 2026 | 8:44 AM
Share

ওয়াশিংটন: তেহরানকে কোণঠাসা করতে চায় আমেরিকা। হাতে নয়, পাতে মারার সিদ্ধান্তেই কায়েম হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সোমবার নিজের সমাজমাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। খামেনেইয়ের দেশকে দেখিয়েছেন ট্যারিফের ‘জুজু’। তবে সরাসরি নয়।

এদিন ট্রাম্প নিজের সমাজমাধ্য়ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘যে সকল দেশগুলি ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করছে। এই মুহূর্ত থেকে তাদের উপর ২৫ শতাংশের বাড়তি শুল্ক চাপাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আমার এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট ভেবে নেওয়া। আর এটাকেই চূড়ান্ত করা হল।’ সহজ কথায়, এমন কোনও দেশ, যাঁরা একদিকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চালাচ্ছে, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেও পণ্য রফতানি করছে। তাঁদের এবার গুনতে হবে বাড়তি ২৫ শতাংশের শুল্ক।

উল্লেখ্য়, অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ইরানে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। খামেনেইয়ের মোতায়েন করা সেনা-পুলিশের গুলিতে প্রাণ যাচ্ছে একের পর এক বিক্ষোভকারীর। ইতিমধ্য়েই গোটা ঘটনাক্রমে বারংবার নাক গলানোর চেষ্টা করেছে আমেরিকা। যা নিয়ে ঘোর আপত্তি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের।

এই আবহে সোমবার হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, অস্থিতিশীল ইরানে সেনা-পুলিশের হাতে নিহত হয়েছে ৬৪৮ জন বিক্ষোভকারী। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি মোটেই সহজভাবে দেখছে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর কথায়, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিষয়ে খুবই দক্ষ। তিনি নিজের হাতে সর্বদাই একাধিক বিকল্প পথ রেখে থাকেন। বলা যেতেই পারে, এই বিকল্পগুলির মধ্য়ে অন্যতম একটি বিকল্প সামরিক অভিযানও।’

তা হলে ইরানের অন্দরে সামরিক অভিযান চালানোর কথাই কি ভাবছে আমেরিকা? ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, এটা অন্যতম বিকল্প হতে পারে, কিন্তু এই বিকল্প চূড়ান্ত নয়। প্রেস সচিবের কথায়, ‘প্রেসিডেন্টের কাছে কূটনীতিটা সর্বদাই অগ্রাধিকার পেয়েছে।’