US-Iran Conflict: মুহুর্মুহু বিস্ফোরণ, সাইরেনের শব্দ! ইরানের ১৪০ জায়গায় হামলা আমেরিকার, পাল্টা দিল তেহরানও
US airstrikes on Iran: মার্কিন প্রশাসনের এক আধিকারিকের দাবি, বিমান নজরদারি রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) দাবি, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং নৌবাহিনীর সাহায্যে প্রায় ১৪০টি ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত তিন রাতের অভিযানে ৩০০-রও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে CENTCOM।

তেহরান ও ওয়াশিংটন: বাজছে সাইরেন। মুহুর্মুহু বিস্ফোরণের শব্দ। আর বাতাসে শুধু গোলা বারুদের গন্ধ। এখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিটা অনেকটা এরকমই। যতদিন যাচ্ছে, পাল্লা দিয়ে হামলার প্রতিঘাত বাড়াচ্ছে আমেরিকা ও ইরান (Iran-US Conflict)। ইতিমধ্যেই হরমুজ় বন্ধ করার ঘোষণা করেছে ইরান। আর তারপরই ইরানের উপর তৃতীয় দফায় বড়সড় হামলা চালাল আমেরিকা। রবিবার মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা চালিয়েছে। পাল্টা পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি যেমন কুয়েত, বাহরিনেও হামলা চালিয়েছে ইরান।
কোথায় হামলা চালাল আমেরিকা?
মার্কিন প্রশাসনের এক আধিকারিকের দাবি, বিমান নজরদারি রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) দাবি, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং নৌবাহিনীর সাহায্যে প্রায় ১৪০টি ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত তিন রাতের অভিযানে ৩০০-রও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে CENTCOM।
পাল্টা হামলা ইরানের
আমেরিকার হামলার জবাব দিয়েছে ইরানও। কুয়েত, কাতার থেকে বাহরিনেও বিমান হামলার খবর মিলেছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিবেশী বাহরিনেও সাইরেন বাজানো হয়েছে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নাগরিকদের শান্ত থাকার পাশাপাশি দ্রুত নিকটবর্তী নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
কেন বাড়ল উত্তেজনা?
সম্প্রতি, হরমুজে একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। তারপরই হরমুজ প্রণালী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা করে। ইরানের দাবি, জাহাজটি অনুমোদিত রুট ছেড়ে অন্য পথে যাচ্ছিল, তাই সতর্ক করার জন্য গুলি চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, আমেরিকা আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, বাণিজ্যিক জাহাজে নতুন করে হামলা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে।
