Teenage Abuse: শিক্ষিকার লালসার শিকার স্কুলের ছাত্ররা, আদালতে দোষ স্বীকার অভিযুক্ত মহিলার
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলত ১৪ থেকে ১৬ বছরের কিশোরদের সঙ্গেই যৌনতা করতেন অভিযুক্ত মহিলা। আদালতের শুনানির সময় বিচারকের সামনে ওই মহিলা জানিয়েছেন, তিনি এক সঙ্গে একাধিক কিশোরের সঙ্গেও যৌনতা করেছেন। অভিযুক্ত ওই মহিলার নাম এলেন ফিলিপস।

নিউইয়র্ক: একাধিক কিশোরের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগের উঠল এক শিক্ষিকার সহযোগীর বিরুদ্ধে। তিনি আমেরিকার কেনটুসির একটি স্কুলে কর্মরত ছিলেন। সেই স্কুলেরই একাধিক কিশোরের সঙ্গে যৌনতা করেছিলেন বলে আদালতে স্বীকার করেছেন ওই মহিলা। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলত ১৪ থেকে ১৬ বছরের কিশোরদের সঙ্গেই যৌনতা করতেন অভিযুক্ত মহিলা। আদালতের শুনানির সময় বিচারকের সামনে ওই মহিলা জানিয়েছেন, তিনি এক সঙ্গে একাধিক কিশোরের সঙ্গেও যৌনতা করেছেন। অভিযুক্ত ওই মহিলার নাম এলেন ফিলিপস।
এ বিষয়ে ফেডারেল প্রসিকিউটারদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ফিলিপস স্ন্যাপচ্যাট, ফেসবুক বা টেক্সট মেসেজিংয়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের সাথে যোগাযোগ করতেন এবং অনেক ক্ষেত্রে যৌন ক্রিয়াকলাপে জড়িত থাকার উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগীদের সাথে দেখা করতেন। তিনি বিশেষভাবে স্বীকার করেছেন, ২০২২ সালের ২০ ডিসেম্বর ১৫ বছর বয়সী এক নাবালককে যৌন কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন। এই কথোপকথনে ফিলিপস ভুক্তভোগীকে ফেসবুক ব্যবহার করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন এবং বারবার যৌন ক্রিয়াকলাপের জন্য ভুক্তভোগীকে তার বাড়ি থেকে বের করার চেষ্টা করেছিলেন।”
অভিযুক্ত বার বার বলা সত্ত্বেও যখন ওই কিশোর বেরতে পারবেন না বলে জানিয়েছিলেন, তখন অভিযুক্ত মদ খাওয়ানো এবং যৌনক্রিয়ার প্রস্তাব দেন। এর পাশাপাশি একাধিক কিশোরকে জড়ো করে দলবদ্ধ যৌনতা করেছিলেন বলেও আদালতে স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এর পর বিভিন্ন কিশোর তাদের উপর হওয়া যৌন নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। নাবালকদের যৌনতা করতে বাধ্য করার অভিযোগে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে ওই মহিলাকে। অন্তত ১০ বছরের জেলের সাজা তাঁকে ভোগ করতে হবে বলে উল্লেখিত হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম গুলিতে। তবে আদালত এখনও সাজা ঘোষণা করেনি।
