Bangladesh May Get New President: ‘চলে যেতে চান’ হাসিনার আমলের রাষ্ট্রপতি, পরিবর্তে কাকে আনবেন তারেক?
Bangladesh New Government: সেই বার্তাতেই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন যদি এখন নিগড় থাকেন, তা হলে বাংলাদেশের জন্য নতুন রাষ্ট্রপতি খুঁজতে হবে নবনির্বাচিত বিএনপিকে। প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপির সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

ঢাকা: চলে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ আগেই করেছিলেন তিনি। ২০২৩ সালে আওয়ামী লিগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন মহম্মদ সাহাবুদ্দিন। তারপর কত জলই বয়ে গিয়েছে পদ্মা হয়ে। বাংলাদেশ সাক্ষী থেকেছে একটা আস্ত গণঅভ্যুত্থানের। পড়ে গিয়েছে নির্বাচিত সরকার। কিন্তু সে সব এখন অতীত। সম্প্রতি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে বিএনপি। তারপর থেকেই চর্চায় নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন?
সাংবিধানিক ভাবে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে তাঁর। কিন্তু তিনি কি আদৌ থাকবেন? হাসিনার আমলে মনোনীত রাষ্ট্রপতি, বিএনপির আমলে কি থাকতে পারবেন? এই নিয়ে অনেক আগেই আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন তিনি। সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, “আমি সরে যেতে চাই। পদত্য়াগ করতে চাই। কিন্তু নির্বাচন না-হওয়া পর্যন্ত নিজের দায়িত্ব পালন করা প্রয়োজন।”
সেই বার্তাতেই রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন যদি এখন নিগড় থাকেন, তা হলে বাংলাদেশের জন্য নতুন রাষ্ট্রপতি খুঁজতে হবে নবনির্বাচিত বিএনপিকে। প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপির সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে এখনই আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এই সম্ভাব্য তালিকায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম রয়েছে একেবারে প্রথমে। দলের স্থায়ী কমিটির আরও এক সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নামও রয়েছে আলোচনায়। কিন্তু দিনশেষে খন্দকারকেই এগিয়ে রাখছে বিএনপি।
আড়ালে থেকে রাজনীতি করা খন্দকার মোশাররফের নাম রাষ্ট্রপতি হিসাবে উঠে এসেছে অনেকবার। ২০২৩ সালে বগুড়ায় বিএনপির একটি বিভাগীয় সভায় দলের অন্যতম নেতা জিএম সিরাজ বলেছিলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি হবেন মোশাররফ হোসেন।” এবার দেখার বিষয় সেই পদের জন্য মোশাররফেই আস্থা রাখে কিনা বিএনপি।
