Bangladesh: মক্কায় কোন অপরাধে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড? রায়ের কপি চাইল তারেক সরকার
Mecca Death Penalty Case: মক্কায় অনৈতিক কাজের অপরাধে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি। নজরুল ইসলামের (২৫) বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলায়। তাঁর বাবাও দীর্ঘ ২৪ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। ২০২০ সালে ফিরে আসেন। এরপর ২০২২ সালে ছেলেকে পাঠান।

ঢাকা: সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দুই বাংলাদেশি নাগরিককে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলাদেশে। আর পড়বে না-ই বা কেন? যে দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তাদের অপরাধ, পবিত্র মক্কার একটি মসজিদে নাকি চুম্বন করেছিলেন। এটিকে অনৈতিক কাজ এবং অপরাধ হিসাবে দেখা হয়েছে। তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এবার বাংলাদেশ সরকার ওই দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপি চাইল সৌদি আরবের কাছ থেকে।
মক্কায় অনৈতিক কাজের অপরাধে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি। নজরুল ইসলামের (২৫) বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলায়। তাঁর বাবাও দীর্ঘ ২৪ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। ২০২০ সালে ফিরে আসেন। এরপর ২০২২ সালে ছেলেকে পাঠান। কিন্তু যাওয়ার আট মাস পরই তাঁকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এক মাস পর বাড়ির সদস্যরা জানতে পেরেছিলেন যে ছেলে কারাগারে। গত বুধবার সৌদি আরব থেকে একজন ফোন করে জানান, নজরুলের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এই ঘটনার পর বিতর্ক, সমালোচনা, আতঙ্ক তৈরি হতেই পদক্ষেপ করল তারেক রহমানের সরকার। সৌদি আরবের আদালতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে রায়ের কপি চাইল বাংলাদেশ। ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বিন জাফর এইচ বিন আবিয়াকেও ডাকা হয়।
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “আমরা রায়ের কপি হাতে পেলে বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানাতে ও পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে পারব।” সকলকে ধৈর্য্য ধরতে এবং ফেসবুকের পোস্ট দেখে প্রভাবিত না হতে অনুরোধ করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর থেকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, “সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিরা যেন নিরাপদে কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের রয়েছে। তাঁরা সব সময় বিষয়টি মাথায় রাখেন। অনুগ্রহ করে ধৈর্য ধরুন এবং আমাদের রায়ের কপি পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর আমরা বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে জানাতে পারব।”
প্রসঙ্গত, বহু বাংলাদেশি পেটের টানে সৌদি আরবের মতো দেশে কাজ করতে চান। বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম বড় উৎস সৌদি আরব।
