Khaleda Zia: ‘স্লো পয়জ়ন হয়েছিল…’, খুন হয়েছেন খালেদা? প্রশ্ন মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধানের অভিযোগ ঘিরে
Khaleda Zia Controversy: তাঁর কথায়, 'মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসার ছাড়পত্রে ম্যাডামের (খালেদা জিয়ার) জন্য আর্থ্রাইটিসের চিকিসার মেথোট্রেক্সেট নামে একটি ট্যাবলেট নিয়মিত সেবনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ভর্তির পর তাঁকে ওই ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে। তবে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওষুধটি বন্ধ করে দিই।'

ঢাকা: ভোট ঘোষণা, ছেলে বাংলাদেশে! সেই সময় খালেদা জিয়াকে খুনের চেষ্টা? সর্বোপরি তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের অন্যতম সদস্য ছিলেন পুত্রবধূ জুবেইদা রহমান। তারপরেও কীভাবে হতে পারে ষড়যন্ত্র? বাংলাদেশের অন্দরে ঘুরপাক খাচ্ছে এই প্রশ্নগুলি। গত ৩০ ডিসেম্বর প্রয়াত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আজ হঠাৎ এই চর্চা কেন?
চর্চা তৈরি হয়েছে একটি ইঙ্গিত ঘিরে। বাংলাদেশের সদ্যপ্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় ‘ইচ্ছাকৃত গাফিলতি’ আনা হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক-চিকিৎসক এফএম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণে খালেদা জিয়ার লিভারের অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়।’
প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি খালেদা জিয়ার জন্য নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় দেওয়া বক্তব্যে এই প্রসঙ্গ তুলেছেন ওই চিকিৎসক। তাঁর কথায়, ‘মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসার ছাড়পত্রে ম্যাডামের (খালেদা জিয়ার) জন্য আর্থ্রাইটিসের চিকিসার মেথোট্রেক্সেট নামে একটি ট্যাবলেট নিয়মিত সেবনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ভর্তির পর তাঁকে ওই ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে। তবে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওষুধটি বন্ধ করে দিই।’
বস্তুত, ঢাকার মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। যা অন্তর্বর্তী সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন। খালেদার জিয়ার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান আপাতত সেই মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে। এমনকি এক্ষেত্রে ‘স্লো পয়েজিনিং’ তত্ত্বকেও ইঙ্গিতে সিলমোহর দিয়ে সিদ্দিকী বলেন, ‘মেথোট্রেক্সেট সেই ওষুধ, যা তাঁর ফ্যাটি লিভার অসুখ বাড়িয়েছিল এবং সেটাকে সিরোসিসে পরিণত করেছিল। এই প্রেক্ষাপটে এটা তাঁর লিভারের জন্য় স্লো পয়জন ছিল।’
এরপরেই তিনি বলেন, ‘লিভারের দ্রুত অবনতির মাধ্যমে তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল। এটি একটি ইচ্ছাকৃত অবহেলা। যা অমার্জনীয় অপরাধের সমান। এটি তাঁকে হত্যার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এছাড়াও, ডায়াবেটিস এবং আর্থ্রাটিসের চিকিৎসায় অবহেলার সুস্পষ্ট প্রমাণ মেডিক্যাল বোর্ডের কাছে রয়েছে।’
