Superblu Ethanol vs LPG cooking fuel: LPG-র থেকে অনেক সস্তা, ‘Superblu’ এই জ্বালানি কি রান্নার খরচ অনেক কমিয়ে দেবে?
Superblu ethanol: শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে বসে ইথানলকে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিকল্প জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করতে। বর্তমানে ভারতে ইথানলের উৎপাদন ২ হাজার কোটি লিটার পার করে গিয়েছে।

নয়া দিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত গোটা বিশ্বকে এলপিজি সঙ্কটের মুখে ফেলে দিয়েছিল। এলপিজি ও অন্যান্য তেল-জ্বালানি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। এই সময়ে কেন্দ্রকে পদক্ষেপ করতে হয় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য। বর্তমানে এলপিজি সঙ্কট সামাল দেওয়া গেলেও, সরকার ভাবনাচিন্তা করছে বিকল্প জ্বালানি নিয়ে, যা গৃহস্থের চাহিদা পূরণ করবে। আর সেখানেই উঠে এসেছে ইথানলের নাম। এলপিজির বদলে এবার কি ইথানল ব্যবহার করা হবে জ্বালানি হিসাবে?
শুক্রবারই কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে বসে ইথানলকে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিকল্প জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করতে। বর্তমানে ভারতে ইথানলের উৎপাদন ২ হাজার কোটি লিটার পার করে গিয়েছে। এবার সেই জ্বালানিকেই রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকানে ব্যবহারের পরিকল্পনা।
এলপিজির থেকে কি ইথানল ভালো?
সম্প্রতিই আনা হয়েছে ইথানল ভিত্তিক ‘সুপারব্লু’ বার্নার। এক লিটার ইথানলেই টানা ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বার্নার জ্বলতে পারে। এলপিজি সিলিন্ডার অনেকটাই ভারী, সেখানেই ইথানল তরল এবং তা সংগ্রহ করাও অনেক সহজ। নন-প্রেশারাইজড ক্যানিস্টারে সংগ্রহ করে রাখা যায়। ছোটখাটো দোকানদারদের জন্য এই জ্বালানি অনেকটাই সুবিধাজনক। ছোট জায়গায় এটি রাখা যায়, এর খরচও অনেকটা কম। কেরোসিন বা ঘুঁটে জ্বালানির তুলনায় দূষণও তুলনামূলকভাবে অনেকটা কম হয়।
কত দাম হতে পারে ইথানলের?
একাধিক দেশের মধ্যে যুদ্ধ, ভৌগলিক অস্থিরতার কারণে এলপিজির দাম এখন অনেকটাই বেশি। প্রতি কেজি ১০৩ টাকার কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে। ১৯ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কলকাতায় ২২০৮ টাকা। সেখানেই কেন্দ্রের পরিকল্পনা, ইথানলকে বিকল্প জ্বালানি হিসাবে জনপ্রিয় করার জন্য এর দাম প্রতি কেজিতে ৭০ টাকা ধার্য করা হতে পারে। এতে দোকানদারদের খরচ অনেকটাই কমবে।
কীভাবে ইথানল তৈরি হয়?
ভারত এখন ইথানল উৎপাদনে আত্মনির্ভরতার পথে হাঁটছে। আখ ও ভুট্টা থেকে ইথানল তৈরি করা হয়। যেখানে এলপিজি বা পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের জন্য ব্রেন্ট ক্রুড তেলের উপরে নির্ভর করতে হয়, যার বেশিরভাগটাই আমদানি করা হয়, সেই তুলনায় ইথানল দেশেই উৎপাদন হওয়ায়, আমদানি করতে হবে না। বিশ্ববাজারের অস্থিরতাও এতে প্রভাব ফেলবে না।
