AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mediclaim থাকলেও অনেকেই চিকিৎসার জন্য Personal Loan নেন! কেন জানেন?

Health Insurance: বিমার কভারেজ আগের তুলনায় বাড়ালেও দেশের জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেকও এখনও বিমার আওতায় আসেন না। আবার অনেকে এমনও রয়েছেন, যাঁদের কাছে থাকা পলিসি বড় কোনও চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়। সরকারি হিসাব বলছে, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৩৯.৪ শতাংশ এখনও রোগীরা নিজেদের পকেট থেকেই দিয়ে থাকেন।

Mediclaim থাকলেও অনেকেই চিকিৎসার জন্য Personal Loan নেন! কেন জানেন?
মেডিক্লেম থাকলেও নিতে হচ্ছে লোন!
| Updated on: Jan 27, 2026 | 1:44 PM
Share

নিয়ন্ত্রিত মুদ্রাস্ফীতি যে কোনও দেশের অর্থনীতির একটি অনুঘটক। ভারতের বাজারে এই মুদ্রাস্ফীতি গড়ে ৬ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকে। যদিও এমন একাধিক সেক্টর রয়েছে যেখানে মুদ্রাস্ফীতি কিন্তু জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক বেশি হয়। যেমন? ভারতের হেলথ সেক্টর। হিসাব বলছে, ভারতের শুধুমাত্র হেলথ সেক্টরের মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ বছরে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ।

একবার হাসপাতালে ভর্তি হলে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হয় সেটা শুধুমাত্র নিম্ন আয়ের পরিবারকেই হয়, চাপে ফেলে দিচ্ছে মধ্যবিত্তদেরও। আর এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আয়ের তুলনায় চিকিৎসা খরচের দ্রুত বৃদ্ধি। যদিও বিমার সুরক্ষা কিন্তু সব সময় সব খরচকে কভার করে না। ফলত, অসুস্থতা এখন অনেক ভারতীয় পরিবারের কাছে সরাসরি আর্থিক সংকটের রূপ নিচ্ছে।

এক সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতের একাধিক শহরে ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়ার মধ্যে বড় কারণই হল চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি। দেখা গিয়েছে, সারা দেশে প্রায় ১১ শতাংশ ঋণগ্রহীতা চিকিৎসার খরচ মেটাতে এই ঋণ নিয়েছেন। আর মহানগরগুলোর কথা ধরলে ১৪ শতাংশ ঋণগ্রহীতা পার্সোনাল লোনের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ মিটিয়েছেন। এর অর্থ হল, উন্নত হাসপাতাল ও তুলনামূলক বেশি আয়ের শহরেও অসুস্থতার সময় পর্যাপ্ত আর্থিক সুরক্ষা মেলে না।

এ ছাড়াও বিমার কভারেজ বাড়ালেও দেশের জনসংখ্যার ৫০ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেকও এখনও বিমার আওতায় আসেন না। আবার অনেকে এমনও রয়েছেন, যাঁদের কাছে থাকা পলিসি বড় কোনও চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়। সরকারি হিসাব বলছে, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৩৯.৪ শতাংশ এখনও রোগীরা নিজেদের পকেট থেকেই দিয়ে থাকেন। সঞ্চয় কম, বিমার কভারেজও সম্পূর্ণ নয়। এমন অবস্থায় দেশের অনেক মানুষের কাছেই এখনও ভরসার জায়গা হল পার্সোনাল লোন।

ভারতের বিভিন্ন শহরে অর্থনীতির ধরন আলাদা। খরচ আলাদা। এর ফলে, যে সব জায়গায় আর্থিক সুরক্ষা কিছুটা দুর্বল, সেই সব জায়গাতেই বাড়ছে ঋণের উপর নির্ভরতা। আসলে এই ক্ষেত্রে একটা প্রশ্ন চলেই আসে। স্বাস্থ্য বিমা কি আগামীতে অনেকটা শক্তিশালী হবে? নাকি পার্সোনাল লোনের উপরই নির্ভরতা আরও বাড়বে।