Indian Armed Forces: ভারতের প্রতিরক্ষার ‘মস্তিষ্ক’ থেকে ‘স্নায়ুতন্ত্র’ তৈরি করছে এই সংস্থা, রিটার্ন দিচ্ছে ৯০ শতাংশের বেশি!
Indian Army and Defence: অধিকাংশ ডিফেন্স সংস্থা নজর কাড়ে যুদ্ধবিমান বা জাহাজ তৈরি করে। কিন্তু অ্যাপোলো মাইক্রো সিস্টেমস বেছে নিয়েছে অন্য এক পথ। তারা বানাচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রের ‘স্নায়ুতন্ত্র’। এক বিশেষজ্ঞের মতে, আধুনিক যুদ্ধ এখন কেবলমাত্র পেশি শক্তির নয়, বরং ইলেকট্রনিক সিগন্যালের।

হায়দরাবাদের উপকণ্ঠে একটা অতি সাধারণ ল্যাবরেটরি। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে কোনও সাধারণ টেক-হাব। কিন্তু ভেতরে চলছে অন্য কাজ। কোনও চিৎকার নেই, নেই কোনও বিস্ফোরণের শব্দও। অথচ এই নিস্তব্ধ সার্কিট বোর্ডগুলোই ঠিক করে দেবে যুদ্ধক্ষেত্রে একটা মিসাইল কখন কোন দিকে উড়ে যাবে বা কোনও ড্রোন কীভাবে প্রতিকূল আবহাওয়া সামলাবে।
কী হচ্ছে এই ল্যাবে?
অধিকাংশ ডিফেন্স সংস্থা নজর কাড়ে যুদ্ধবিমান বা জাহাজ তৈরি করে। কিন্তু অ্যাপোলো মাইক্রো সিস্টেমস বেছে নিয়েছে অন্য এক পথ। তারা বানাচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্রের ‘স্নায়ুতন্ত্র’। অর্থাৎ, সেন্সর থেকে আসা তথ্যকে যুদ্ধক্ষেত্রে অ্যাকশনে পরিণত করার সার্কিট বোর্ড। ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যদি কোনও শরীর হিসেবে মনে করা হয়, তবে অ্যাপোলো তৈরি করছে তার মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র। একবার এদের লজিক স্ট্যাক কোনও মিসাইল বা রাডারে ঢুকে গেলে, তা বদলানো প্রায় অসম্ভব। এটাই এদের আসল ‘মোট’ বা সুরক্ষা কবচ।
ডেটা কী বলছে?
সংখ্যার দিকে তাকালে চমকে যেতে হয়। ২০২৫ অর্থবর্ষে এই সংস্থার আয় ৫১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। ২০২৬-এর দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে নিট মুনাফা বেড়েছে ১০৮ শতাংশ। গত তিন বছরে প্রফিট গ্রোথ বা সিএজিআর দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশে।
বাজার কিন্তু এই সাফল্যের দাম দিচ্ছে। সেক্টরের গড় পি/ই বা প্রাইস টু আর্ন রেশও যেখানে ৬১.৪, সেখানে অ্যাপোলোর মাল্টিপল ১১৪-র আশেপাশে। অর্থাৎ লগ্নিকারীরা এই ‘ইন্টেলিজেন্স’-এর ওপর ভরসা রাখছেন।
কী বলছে আগামী?
এক বিশেষজ্ঞের মতে, আধুনিক যুদ্ধ এখন কেবলমাত্র পেশি শক্তির নয়, বরং ইলেকট্রনিক সিগন্যালের। ডিআরডিও বা ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের মতো সংস্থার সঙ্গে এদের কাজ আসলে একটা ভরসার প্রতীক। যান্ত্রিক যুদ্ধ যখন ক্রমশ ডিজিটাল যুদ্ধের দিকে মোড় নিচ্ছে, তখন এই ‘অদৃশ্য’ কারিগররাই হয়ে উঠবে ভারতের তুরুপের তাস।
