Huge Fall in Gold Price: ৪৩ বছরে সোনার দামে এতটা পতন হয়নি কখনও! আজকের দর জানলে চমকে যাবেন…
Gold Price in Kolkata & West Bengal: ইরান-আমেরিকা সংঘাত জারি থাকলে, এই অস্থিরতা বাড়বে এবং সোনা-রুপোর দামে আরও পতন হতে পারে বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। যদি সোনার দাম সামান্য হলেও বাড়ে, তবে তা মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়ার জোরেই হবে। সোনা ও রুপোর ইটিএফেও পতন হয়েছে। সোমবারই ২০ শতাংশ পতন হয়েছে।

নয়া দিল্লি: যুদ্ধের জেরে চরম অস্থিরতা। শুধুমাত্র মধ্য প্রাচ্য় বা আমেরিকা-ইজরায়েলেই নয়, প্রভাব পড়ছে গোটা বিশ্বে। তেল, জ্বালানির যেমন সঙ্কট দেখা দিয়েছে, তেমনই শেয়ার বাজারেও ধস নেমেছে ভয়ঙ্করভাবে। হু হু করে পতন হচ্ছে সোনা-রুপোর দামে। বিগত ৪৩ বছরে সোনার দামে (Gold Price Drop) এমন পতন হয়নি, যা ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার সংঘাত শুরুর পরে হয়েছে। কেন এমন ধস নামছে? কোথায় গিয়েই বা থামবে সোনা-রুপোর দামের পতন?
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে সোনা ও রুপোর দামে পতন হয়েছে। সোমবার সোনার দামে দুই শতাংশ পতন হয়েছে, যা বিগত চার মাসে সর্বনিম্ন। স্পট গোল্ডের দামে ২.৫ শতাংশ পতন হয়েছে। প্রতি আউন্সে দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৩৭২ ডলারে। এই নিয়ে পরপর নয়দিন দাম কমল। গত সপ্তাহেই প্রায় ১০ শতাংশ পতন হয়েছিল সোনার দামে। বিগত ৪৩ বছরে এটাই সবথেকে বড় পতন। স্পট সিলভারের দামও ৩.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৬৫.৬১ ডলারে নেমে দাঁড়িয়েছে।
ইরান-আমেরিকা সংঘাত জারি থাকলে, এই অস্থিরতা বাড়বে এবং সোনা-রুপোর দামে আরও পতন হতে পারে বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। যদি সোনার দাম সামান্য হলেও বাড়ে, তবে তা মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়ার জোরেই হবে। সোনা ও রুপোর ইটিএফেও পতন হয়েছে। সোমবারই ২০ শতাংশ পতন হয়েছে।
বর্তমানে কলকাতায় ২৪ ক্যারেটের ১০ গ্রাম সোনার দাম রয়েছে ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮০২ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম রয়েছে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ১৪২ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম রয়েছে ১ লক্ষ ৩ হাজার ৫৭১ টাকা।
তিন সপ্তাহ পার করে চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার সংঘাত। হরমুজ প্রণালী বন্ধ। এই সংঘাত এখনই থামার কোনও ইঙ্গিত মিলছে না, কারণ ইরান বা আমেরিকা-কেউই পিছু হটতে নারাজ। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী না খুললে ইরানের শক্তি কেন্দ্রগুলির উপরে হামলা করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুমকির জবাবে ইরানও বলেছে যে যদি তেহরানের পরিকাঠামোকে নিশানা করা হয়, তাহলে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান-সংগঠনকেও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। ইরান মিলিটারিও জানিয়েছে, মধ্য প্রাচ্যে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত শক্তি, প্রযুক্তি ও জলের পরিকাঠামোকে নিশানা করা হতে পারে।
শক্তি ও জ্বালানি টানাপোড়েনের জেরে গোটা বিশ্ব ভয়ঙ্কর মুদ্রাস্ফীতির মুখে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। যেখানে বাকি যুদ্ধের ক্ষেত্রে সোনার দাম বৃদ্ধি পায়, সেখানেই ইরান সংঘাতে সোনার দাম কমছে। যে কোনও সংঘাত বা টানাপোড়েনের সময়ে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসাবে বেছে নেন। তবে ইরানের সংঘাতে যেহেতু মুদ্রাস্ফীতির সম্ভাবনা প্রবল, তার জেরে সোনার উপরেও প্রভাব পড়বে। তাই বিনিয়োগকারীরা এবার সোনাতেও বিনিয়োগ করতে ভয় পাচ্ছেন।
