Post Office Scheme: অবসরের পর মাসে ২০ হাজার টাকা আয়! পোস্ট অফিসের এই স্কিমের কথা জানেন?
Post Office Senior Citizen Savings Scheme: সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম কেন্দ্রীয় সরকারের একটি ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প। মাত্র এক হাজার টাকা দিয়েই এই প্রকল্পে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় বিনিয়োগের উপর কর ছাড়ের সুবিধাও পাওয়া যায়। এই প্রকল্পের মেয়াদ ৫ বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী অ্যাকাউন্টের মেয়াদ আরও ৩ বছর বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

নয়া দিল্লি: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক নিরাপত্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে যাঁরা বেসরকারি চাকরি করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে অবসরের পর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই প্রয়োজন। দৈনন্দিন খরচ চালাতে যাতে সমস্যায় না পড়তে হয়, তার জন্য অবসর নেওয়ার পর নিয়মিত আয়ের উৎস থাকা প্রয়োজন। তবে, বয়স হয়ে গেলে কাজ করার ক্ষমতাও কমে যায়। তাই প্রবীণ নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে পোস্ট অফিসে (Post Office Senior Citizen Savings Scheme) রয়েছে একাধিক সঞ্চয় প্রকল্প। তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম (SCSS)। বাজারের ওঠানামার সঙ্গে এই প্রকল্পের রিটার্ন পাওয়া যায়। ফলে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বিনিয়োগের সুযোগ পাওয়া যায়।
কী রয়েছে সিনিয়র সিটিজেন স্কিমে?
সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম কেন্দ্রীয় সরকারের একটি ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্প। মাত্র এক হাজার টাকা দিয়েই এই প্রকল্পে অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় বিনিয়োগের উপর কর ছাড়ের সুবিধাও পাওয়া যায়। এই প্রকল্পের মেয়াদ ৫ বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী অ্যাকাউন্টের মেয়াদ আরও ৩ বছর বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
কত টাকা বিনিয়োগ করা যায়?
জানা গিয়েছে, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা এবং স্বামী-স্ত্রী মিলিয়ে ৩০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই পোস্ট অফিস স্কিমে বিনিয়োগের সীমা ও অন্যান্য নিয়ম সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বিনিয়োগের আগে পোস্ট অফিসের বর্তমান নিয়ম যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।
মাসে ২০ হাজার টাকা কীভাবে মিলবে?
- ধরা যাক, কোনও দম্পতি মোট ৩০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করলেন।
- বার্ষিক সুদের হার ৮.২ শতাংশ।
- বছরে সুদ পাবেন ৩০ লক্ষ × ৮.২ শতাংশ= ২ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা
এই স্কিমের সুদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দেওয়া হয়। অর্থাৎ প্রতি তিন মাসে পাওয়া যাবে প্রায় ৬১,৫০০ টাকা। মাসের হিসাবে তা ভাগ করলে গড় আয় দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার ৫০০ টাকা। তবে সরাসরি প্রতি মাসে ২০,৫০০ টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে, এমন নয়। কারণ তিন মাসে সুদ দেওয়া হয়।
মেয়াদের আগে টাকা তুললে কী হবে?
পুরো সুবিধা পেতে সাধারণত মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের আগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলে নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা বা মূলধন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে নেওয়া হতে পারে। তাই, বিনিয়োগের আগে ভবিষ্যতের আর্থিক প্রয়োজনের বিষয়টিও বিবেচনা করা জরুরি।
