Share Market Fall: ইরানের যুদ্ধে রক্ত ঝরল দালাল স্ট্রিটে, এক নিমেষে ৭ লাখ কোটি উবে গেল!
Sensex-Nifty50 Fall: আজ সকালে শেয়ার বাজার খুলতেই হুড়মুড়িয়ে পড়ে সেনসেক্স। সকাল ৯টা ১৭-এ সেনসেক্সের সূচক নেমে দাঁড়ায় ৭৩,০৮০.৩৫ অঙ্কে। ১৪৫২.৬১ পয়েন্ট পতন হয় সেনসেক্সের। অন্যদিকে নিফটি৫০-ও ৪১২.৪০ পয়েন্ট পতন হয়ে ২২,৭০২.১০ -তে নেমে দাঁড়িয়েছে।

মুম্বই: যুদ্ধের জেরে রক্তাক্ত শেয়ার বাজার। ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকার সংঘাতের জেরে বাড়ছে তেলের দাম। অনিশ্চয়তার মেঘ শেয়ার বাজারেও (Share Market)। আজ, সোমবার শেয়ার মার্কেট খুলতেই ঝুপ করে পতন হল সেনসেক্স (Sensex) ও নিফটি৫০ (Nifty 50)-র। একধাক্কায় বাজার থেকে উধাও হয়ে গেল কোটি কোটি টাকা।
আজ সকালে শেয়ার বাজার খুলতেই হুড়মুড়িয়ে পড়ে সেনসেক্স। সকাল ৯টা ১৭-এ সেনসেক্সের সূচক নেমে দাঁড়ায় ৭৩,০৮০.৩৫ অঙ্কে। ১৪৫২.৬১ পয়েন্ট পতন হয় সেনসেক্সের। অন্যদিকে নিফটি৫০-ও ৪১২.৪০ পয়েন্ট পতন হয়ে ২২,৭০২.১০ -তে নেমে দাঁড়িয়েছে।
স্টক মার্কেটের ধসের মধ্যে একমাত্র লাভের মুখ দেখেছে ওএনজিসি (ONGC)। নিফটি৫০-তে ওএনজিসি উপরে ট্রেড করছে। এইচডিএফসি ব্যাংকের শেয়ারের দাম ৩.৪৩ শতাংশ কমেছে, আইসিআইসিআই ব্যাংকের শেয়ারের দাম ১.৫ শতাংশ কমেছে। অ্যাক্সিস ব্যাংকের শেয়ারের দাম ১.৯০ শতাংশ কমেছে। তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার মধ্যে ইনফোসিসের শেয়ারের দাম ০.৭২ তাংশ এবং টিসিএস-এর শেয়ারের দাম ০.২৮ শতাংশ কমেছে।
অটো এবং কনজিউমার স্টকগুলোতেও চাপের মুখে পড়েছে। মারুতি সুজুকির শেয়ারের দাম ১.১৫ শতাংশ কমেছে। টাইটানের শেয়ারের দাম ২.৫৩ শতাংশ কমেছে এবং এশিয়ান পেইন্টসের শেয়ারের দাম ১.৩৯ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া এলঅ্যান্ডটি, আলট্রাটেক সিমেন্ট এবং আদানি পোর্টসের মতো শেয়ারের দামও প্রায় ২ শতাংশ কমেছে।
সেনসেক্স , নিফটির পতনে এক ধাক্কায় ৭.৩৩ ট্রিলিয়ন অর্থাৎ ৭ লক্ষ কোটিরও বেশি বাজার থেকে সাফ হয়ে গিয়েছে। শুক্রবার যেখানে শেয়ার বাজার বন্ধের সময় বিএসই লিস্টেড কোম্পানিগুলির মোট মার্কেট ক্যাপ ছিল ৪২৮.৭৮ ট্রিলিয়ন, তা আজ বাজার খুলতেই কমে দাঁড়ায় ৪২১.৪৩ ট্রিলিয়নে।
শুধুমাত্র ভারতের শেয়ার বাজারে যে ধস নেমেছে, এমনটা নয়। জাপানের নিক্কেই ২২৫ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি-ও যথাক্রমে ৩.৩ শতাংশ এবং ৪.৬ শতাংশ পতন হয়েছে।
শেয়ার বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামেও ব্যাপক পতন হয়েছে। বিগত চার মাসে সর্বনিম্ন দর এখন। স্পট গোল্ডের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪৩৪০ ডলারে নেমে দাঁড়িয়েছে। রুপোর দামেও তিন শতাংশ পতন হয়েছে।
যুদ্ধের জেরে তেলের দাম ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১১২.৯৪ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই-এর দাম ব্যারেল প্রতি ৯৯.২৩ ডলারে পৌঁছেছে। শুধু এই মাসেই তেলের দাম ৫০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার মতে, এই সঙ্কট ১৯৭০-এর দশকের তেল সঙ্কটের চেয়েও বড় হতে পারে।
