AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

T-90 Engine Upgrade: এবার পাহাড়ে ছুটবে ‘ভীষ্ম’, ইঞ্জিন শক্তিশালী হওয়ায় কী সুবিধা পাবে সেনা?

T-90 Bhishma Tanks Engine Upgrade: ১৩৫০ হর্সপাওয়ারের নতুন ইঞ্জিন যুক্ত হলে ৪৬ টনের এই দৈত্য গতি পাবে বহুগুণ। যুদ্ধের ময়দানে দ্রুত পজিশন বদলানো বা থরের মতো বিশাল মরুভূমি পার হওয়া এখন আরও সহজ হবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে সেনার 'রিঅ্যাকশন টাইম' বা পাল্টা আঘাত করার ক্ষমতা অনেকটাই বাড়বে।

T-90 Engine Upgrade: এবার পাহাড়ে ছুটবে 'ভীষ্ম', ইঞ্জিন শক্তিশালী হওয়ায় কী সুবিধা পাবে সেনা?
শক্তি বাড়ছে ভীষ্মের, এবার তরতরিয়ে চড়বে পাহাড়!
| Updated on: Jan 03, 2026 | 4:28 PM
Share

ভারত-চিন সীমান্তে টহল দিচ্ছে ৪৬ টনের দানব। কিন্তু হিমালয়ের পাতলা, ঠান্ডা বাতাসে ক্রমশই দম ফুরিয়ে আসছিল টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্কের। আর এবার সেই বাধা দূর হতে চলেছে। কারণ, এই ট্যাঙ্কের জন্য দেশীয় প্রযুক্তির ১৩৫০ হর্সপাওয়ারের নতুন শক্তিশালী ইঞ্জিন তৈরিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সবুজ সংকেত দিয়েছে ।

কেন এই পরিবর্তন?

জানলে অবাক হবেন, বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর টি-৯০ ট্যাঙ্কে ১০০০ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। সমতলে এই ইঞ্জিন দুর্দান্ত কাজ করলেও লাদাখ বা সিকিমের মতো উঁচু পাহাড়ে এর শক্তি বেশ কম বলে মনে হয়। কারণ, ওই উচ্চতায় অক্সিজেনের অভাবে জ্বালানি ঠিকমতো পুড়তে পারে না। আর সেই কারণেই হিমালয় চড়তে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় এই ট্যাঙ্ককে।

কী হতে চলেছে?

জানা গিয়েছে, সরকার প্রোটোটাইপ তৈরির খরচের ৭০ শতাংশ বহন করবে। এ ছাড়াও যে যে সংস্থা এই ট্যাঙ্ক তৈরির প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত, সেই প্রতিটা সংস্থাকেও সর্বোচ্চ ২৫০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। এ ছাড়াও সরকার জানিয়ে দিয়েছে, নতুন এই ইঞ্জিনের অন্তত ৫০ শতাংশ যন্ত্রাংশ ভারতেই তৈরি হতে হবে।

সহজ কথায়, ১৩৫০ হর্সপাওয়ারের নতুন ইঞ্জিন যুক্ত হলে ৪৬ টনের এই দৈত্য গতি পাবে বহুগুণ। যুদ্ধের ময়দানে দ্রুত পজিশন বদলানো বা থরের মতো বিশাল মরুভূমি পার হওয়া এখন আরও সহজ হবে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে সেনার ‘রিঅ্যাকশন টাইম’ বা পাল্টা আঘাত করার ক্ষমতা অনেকটাই বাড়বে।

আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে এটি এক বিশাল পদক্ষেপ। এতদিন শক্তিশালী ইঞ্জিনের জন্য বিদেশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হত ভারতকে। আর এবার তার চেয়ে উন্নতি প্রযুক্তি তৈরি হবে ভারতের মাটিতেই। আর তার ফলে, উত্তরের সীমান্তের পাহাড়ি এলাকায় ড্রাগনের মোকাবিলায় ভীষ্ম এখন আরও শক্তিশালী, আরও ক্ষিপ্র।