SIR Hearing Centre: বাংলার প্রান্তিক মানুষের স্পেশাল রিভিশনে ‘স্পেশাল’ শুনানি কমিশনের
West Bengal SIR Hearing: কিন্তু কোন কোন জেলায় তৈরি হবে এই বিশেষ শুনানি কেন্দ্র? ডিইও-দের প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ১২টি জেলা যথাক্রমে - দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া এবং উত্তর ২৪ পরগনাজুড়ে মোট ১৬০টি বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র তৈরি হবে।

কলকাতা: শুনানি কেন্দ্র বাড়ি থেকে অর্ধশত কিলোমিটার দূর, চাইলেও যাওয়া কঠিন। একই ভাবে যাঁরা বিচ্ছিন্ন জনবসতি কিংবা বনাঞ্চলের মানুষ, তাঁদের জন্য এসআইআর শুনানি কেন্দ্রে পৌঁছনো অসাধ্য সাধনের থেকে কিছু কম নয়। এবার এই সকল এলাকার বাসিন্দাদের কথা মাথায় রেখে ‘ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার’ বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্রে শুনানি পরিচালনায় অনুমতি দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
সম্প্রতি এই মর্মে রাজ্যের ১২টি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইও-রা একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন কমিশনের কাছে। শনিবার তাতেই ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এই বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্রের অর্থ কী? খুব সাধারণ ভাষায় স্থানীয় বা আঞ্চলিক পর্যায়ে তৈরি হওয়া কোনও শুনানি কেন্দ্র। যা তৈরি হবে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য। আরও সহজ করে বলতে গেলে, রাজ্যের বিচ্ছিন্ন জনবসতি বা প্রান্তিক এলাকায় থাকা মানুষও যাতে এসআইআর শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন, সেই বিষয়টি সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।
কিন্তু কোন কোন জেলায় তৈরি হবে এই বিশেষ শুনানি কেন্দ্র? ডিইও-দের প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ১২টি জেলা যথাক্রমে – দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া এবং উত্তর ২৪ পরগনাজুড়ে মোট ১৬০টি বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র তৈরি হবে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, এই সমস্ত কেন্দ্রে যথাযথ নিরাপত্তা ব্য়বস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে, যাতে শুনানি প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল ভাবে সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি, কোনও রকম বহিরাগত প্রভাব বা কোনও রকম হস্তক্ষেপ যাতে না হয়, সেই বিষয়েও নজর রাখতে হবে প্রশাসনকে। সর্বোপরি জনপ্রতিনিধি আইন মেনে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদের শুনানি সংক্রান্ত কাজ করতে হবে।
