৩০-এর পর কেরিয়ার বদলানো কি ভুল সিদ্ধান্ত? নাকি জীবনের সেরা টার্নিং পয়েন্ট!
Harvard Business Review–এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৩০-এর পর কেরিয়ার বদলানো ব্যক্তিদের মধ্যে কাজের সন্তুষ্টি ও মানসিক স্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি। কারণ সেই বয়সে নিজের শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়, বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর সিদ্ধান্ত নিতে পারা যায়। লোক কী বলবে এই ভাবনা কমে যায়। তাহলে কি একেবারেই বেশি বয়সে কেরিয়ার বদলালে ঝুঁকি নেই?

এক সময় মনে করা হত একবার যে পেশা বেছে নেওয়া হয়েছে সেখানেই সারাজীবন আটকে থাকতে হবে। কিন্তু সময় বদলেছে, বদলেছে কাজের ধরন, বদলেছে মানুষের ভাবনাও। প্রশ্ন উঠছে—৩০-এর পর কেরিয়ার বদলানো কি সত্যিই ভুল, নাকি এই সাহসী সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে জীবন?
৩০-এর পর কেরিয়ার বদলানো এখন স্বাভাবিক। এক জনপ্রিয় চাকরির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ৩৫–৪৫ বছর বয়সীদের মধ্যে কেরিয়ার পরিবর্তনের হার দ্রুত বাড়ছে। নতুন স্কিল শেখার সুযোগের তাগিদে বিশেষ করে IT, ডিজিটাল মার্কেটিং, কনটেন্ট, হেলথকেয়ার ও ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে এই হার বাড়ছে দ্রুত।
Harvard Business Review–এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৩০-এর পর কেরিয়ার বদলানো ব্যক্তিদের মধ্যে কাজের সন্তুষ্টি ও মানসিক স্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি। কারণ সেই বয়সে নিজের শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়, বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর সিদ্ধান্ত নিতে পারা যায়। লোক কী বলবে এই ভাবনা কমে যায়। তাহলে কি একেবারেই বেশি বয়সে কেরিয়ার বদলালে ঝুঁকি নেই? বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঝুঁকি অবশ্যই আছে, তবে সেটার কারণ বয়স নয় পরিকল্পনা।
হঠাৎ আবেগে চাকরি ছাড়া , সেভিং বা ব্যাকআপ প্ল্যান না থাকলে , সঠিক ভাবে কিছু না শিখে কেরিয়ার বদলালে পড়বেন বিপদে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঠিক সিদ্ধান্ত কীভাবে নেবেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন,
৩০-এর পর কেরিয়ার বদলাতে চাইলে- বর্তমান স্কিলের সঙ্গে নতুন ক্যারিয়ারের মিল খুঁজুন, পার্টটাইম বা ফ্রিল্যান্স দিয়ে শুরু করুন, অন্তত ৬–১২ মাসের ফিনান্সিয়াল ব্যাকআপ রাখুন। U.S. Bureau of Labor Statistics অনুযায়ী এখন বহু মানুষ গড়ে ৩–৫ বার ক্যারিয়ার বদলাচ্ছে তাই ৩০-এর পর কেরিয়ার বদলানো ব্যর্থতার লক্ষণ নয়, সঠিক পরিকল্পনা, স্কিল আপগ্রেড আর ধৈর্য থাকলে—এই সিদ্ধান্তই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে শক্তিশালী টার্নিং পয়েন্ট।
