Suvendu Adhikari: পুরুলিয়া থেকে ফেরার পথে শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগ, উত্তেজনা চন্দ্রকোনায়
Attack on Suvendu Adhikari's car: পুরুলিয়া থেকে বিজেপির সভা করে ফিরছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর গাড়ি চন্দ্রকোনা রোড পেরনোর সময় রাস্তার ধারে জমায়েত হয়েছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তাঁদের হাতে ছিল বিজেপির পতাকা। সেইসময় রাস্তার উল্টোদিকেও বেশ কয়েকজনকে দেখা যায়। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূলের পতাকা। শুভেন্দুর গাড়ি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

চন্দ্রকোনা: পুরুলিয়া থেকে কর্মসূচি করে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে চন্দ্রকোনায়। ঘটনার পরই চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে যান বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান। তাঁর অভিযোগ, “১২-১৫ জন গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। পুলিশের মদতেই এই হামলা হয়েছে।” হামলাকারীদের হাতে পেট্রল-ডিজেল ছিল বলেও শুভেন্দুর দাবি।
এদিন পুরুলিয়া থেকে বিজেপির সভা করে ফিরছিলেন শুভেন্দু। তাঁর গাড়ি চন্দ্রকোনা রোড পেরনোর সময় রাস্তার ধারে জমায়েত হয়েছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তাঁদের হাতে ছিল বিজেপির পতাকা। সেইসময় রাস্তার উল্টোদিকেও বেশ কয়েকজনকে দেখা যায়। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূলের পতাকা। শুভেন্দুর গাড়ি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। দ্রুত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা শুভেন্দুর গাড়ির সামনে চলে আসেন।

থানায় বসে শুভেন্দু অধিকারী
ঘটনার পর কিছুটা এগিয়ে গাড়ি থামান শুভেন্দু। দলের কর্মীদের কাছে জানতে চান, কারা হামলা চালিয়েছে। বিজেপি কর্মীরা জানান, হামলাকারীরা পালিয়ে গিয়েছে। এরপরই বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সোজা চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন। তিনি বলেন, “পুলিশের মদতেই এই হামলা হয়েছে।” আইসির রুমে মেঝে বসে রয়েছেন তিনি। বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না দোষীদের গ্রেফতার করা হবে, ততক্ষণ তিনি অবস্থান বিক্ষোভ করবেন। পশ্চিম মেদিনীপুরে তাঁর উপর হামলা হবে, এটা তিনি ভাবতেও পারছেন না বলে জানান। শুভেন্দু বলেন, “দলমত নির্বিশেষে জেলার সবাই আমাকে ভালবাসেন। চলে যাওয়ার আগে তৃণমূল এইসব করছে।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। তৃণমূলকে আক্রমণ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেদিন থেকে হারিয়েছেন, সেদিন থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হচ্ছে। এখন নির্বাচন এগিয়ে আসছে। মুখ্যমন্ত্রী ফাইল ছিনিয়ে আনছেন। তাতেই অনুপ্রাণিত হয়ে তৃণমূল কর্মীরা এটা করছেন। তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে না। হতাশা থেকে তৃণমূল এটা করেছে।” পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “শুভেন্দুর গাড়িতে কোনও হামলা হয়নি। সাধারণ মানুষ জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিলেন। আবার কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি কর্মীদেরই লাঠিপেটা করেছে।” এদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে বাঁকুড়ার লালবাজারে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানার নেতৃত্বে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।
