Murshidabad: SIR নিয়ে শাসকনেতাদের হুঙ্কার, মুর্শিদাবাদে ফের বাড়ছে অশান্তির আশঙ্কা?

TMC leaders on SIR: মণিরুলের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেন না রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক তথা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আখরুজ্জামান। তিনি বলেন, "আমি এটুকু বলি, নির্বাচন কমিশন যেভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে, যেদিন ফাইনাল তালিকা বেরবে, সেদিন মানুষের যে ক্ষোভ বিস্ফোরণ হবে, নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব নেবে? এখানকার বৈধ ভোটারদের নাম বাদ গেলে, সেদিন যে পরিস্থিতি তৈরি হবে, তার দায়ভার নেবে কমিশন? এটা আমি জানতে চাই।"

Murshidabad: SIR নিয়ে শাসকনেতাদের হুঙ্কার, মুর্শিদাবাদে ফের বাড়ছে অশান্তির আশঙ্কা?
তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম (বাঁদিকে), বিধায়ক আখরুজ্জামান (ডানদিকে)Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jan 21, 2026 | 8:30 AM

মুর্শিদাবাদ: ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এই জেলা। কয়েকদিন আগে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বেলডাঙায়। এসআইআর-এ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বের হওয়ার পর কি ফের অশান্তি হতে পারে মুর্শিদাবাদে? এসআইআর নিয়ে মুর্শিদাবাদের তৃণমূলের একের পর এক বিধায়কের হুঙ্কারে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একদিকে ফরাক্কার বিধায়ক মণিরুল ইসলামের হুঙ্কার। আবার রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামানের হুঁশিয়ারি, এসআইআর-এ বৈধ ভোটারদের নাম বাদ গেলে জেলায় জনবিস্ফোরণ ঘটবে।   

কয়েকদিন আগেই শাসকদলের বিধায়ক মণিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়। আরও একধাপ এগিয়ে এবার মণিরুল হুঙ্কার দিয়েছেন, “নিজে বাঁচার জন্য, আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে তৈরি থাকুন। বলার অনেক কিছু ছিল। আমি শুধু ইশারায় বলব, ১৯ তারিখ (এখন পর্যন্ত ঠিক রয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি তালিকা বেরবে) ফাইনাল লিস্ট বেরবে। তখন যদি সব ঠিকঠাক হয়, নচেত দেখবেন চারিদিকে আগুন জ্বলছে। কিছু করার করার নেই। ধুক ধুক করে মরার থেকে লড়াই করে মরা আমি মনে করি সার্থক।”

মণিরুলের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেন না রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক তথা বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আখরুজ্জামান। তিনি বলেন, “আমি এটুকু বলি, নির্বাচন কমিশন যেভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করছে, যেদিন ফাইনাল তালিকা বেরবে, সেদিন মানুষের যে ক্ষোভ বিস্ফোরণ হবে, নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব নেবে? এখানকার বৈধ ভোটারদের নাম বাদ গেলে, সেদিন যে পরিস্থিতি তৈরি হবে, তার দায়ভার নেবে কমিশন? এটা আমি জানতে চাই।”

শাসকনেতাদের একের পর এক হুঙ্কার নিয়ে কী বলছেন সাধারণ মানুষ? কেউ বলছেন, হুঙ্কার দেওয়াটা ঠিক নয়। এর আগের অশান্তিগুলি ‘ম্যান মেড’ বলেও মন্তব্য করলেন কেউ। নিজেদের স্বার্থেই এই অশান্তি সৃষ্টি বলে কারও মন্তব্য। আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বলে জেলার অনেক সাধারণ মানুষই বলছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, নেতারা হুঙ্কার দিলেও আতঙ্কের কিছু নেই জেলায়। বহরমপুরের একাধিক বাসিন্দা বলেন, শহরের দিকে কোনও আতঙ্ক নেই। গ্রামের দিকে আতঙ্ক ছড়াতে পারে।