
নয়াদিল্লি: কমিশনের অফিসে বসে এআই (কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা) দিয়ে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে লাগাতার সরব হয়েছেন তিনি। আর সেই নাম বাদ দেওয়ার কথা বলতে গিয়ে সীমা খান্নার নাম বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল নির্বাচন সদনে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পরও সীমা খান্নার নাম বলেছিলেন। আর মঙ্গলবার বঙ্গ ভবনে এসআইআ-এ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকেও তাঁর নাম নিলেন। সীমা খান্নাকে নিয়ে কী বললেন মমতা?
এদিন মমতা বলেন, “আমি জানি না উনি কে। তাঁর নাম সীমা খান্না। বিজেপি সমর্থক। সম্ভবত অবসরপ্রাপ্ত আইটি অফিসার। AI-কে অপব্যবহার করে বাস্তব যাচাই না করেই তাঁরা একতরফাভাবে নাম বাদ দিচ্ছেন। ইআরও-র স্বাক্ষর ছাড়া তাঁরা এটা করতে পারেন না। এটা বেআইনি। ইআরও-দের কাছ থেকে তাঁরা সুপারিশও গ্রহণ করছেন না। একতরফাভাবে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়েছে।”
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কেন্দ্রেও একতরফাভাবে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে এদিন মমতা বলেন, “আমার বিধানসভা কেন্দ্রে একতরফাভাবে ৪০ হাজারের নাম বাদ দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অফিসে বসে নাম বাদ দিচ্ছেন সীমা খান্না।” এর আগে সীমা খান্নার নাম বলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের আইডি, পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। আর এর পিছনে রয়েছেন সীমা খান্না।
সীমা খান্না আদতে বিহারের বাসিন্দা। আপাতত জাতীয় নির্বাচন কমিশনে ডিজি (তথ্যপ্রযুক্তি) পদে কর্মরত বলে জানা গিয়েছে। তবে মমতা এবং অভিষেক তাঁর ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুললেও কমিশনের তরফে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। সীমা খান্না নিজেও এখনও কোনও জবাব দেননি।