
লখনউ: উত্তর প্রদেশে (Uttar Pradesh) পদ্মশিবিরে ফের ধাক্কা। বিজেপি ছাড়লেন আরও এক বিধায়ক। এবার দল ছাড়লেন মুকেশ বর্মা। ভোটের আগে এই নিয়ে সাত বিজেপি (BJP) বিধায়ক দল ছাড়লেন। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুইটারে নিজের ইস্তফাপত্র পোস্ট করেন ফিরোজাবাদের শিকোহাবাদের বিধায়ক মুকেশ বর্মা (Mukesh Verma)। তিনি দাবি করেন, আরেক দলত্যাগী নেতা স্বামী প্রসাদ মৌর্য তাঁর নেতা। দু’দিন আগেই বিজেপি ছাড়েন মৌর্য। তা হলে কি এবার মুকেশ বর্মাও সমাজবাদী পার্টির হাত শক্ত করবেন? এ প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও তাঁর কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি শুধু জানিয়েছেন, “আমাদের কথা কেউ শোনে না।”
মুকেশ বর্মা তাঁর ইস্তফাপত্রে উল্লেখ করেছেন, তিনি দলিত, পিছিয়ে পড়া মানুষের নেতা। এতদিন কেটে গেলেও বিজেপি দলিত, পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষের জন্য কিছু করেনি, এমনকী এই প্রাপ্য সম্মানটুকুও তাঁরা পাননি। একইসঙ্গে মুকেশ বর্মা তাঁর ইস্তফাপত্রে লেখেন, “উত্তর প্রদেশের রাজ্য সরকার দলিত, পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষ, সংখ্যালঘু, কৃষকদের অবদমিত করে রেখেছে। যুবদের মধ্যে বেকারত্ব বেড়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের কোনও উন্নতি হয়নি। দলের এই রীতিনীতির জন্য আমি ভারতীয় জনতা পার্টির প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়লাম। স্বামী প্রসাদ মৌর্য শোষিত-পীড়িতদের আওয়াজ। উনি আমাদের নেতা। আমি ওনার সঙ্গে আছি।”
গত কয়েকদিনে উত্তর প্রদেশের যতজন নেতা বিজেপি ছেড়েছেন, তাঁদের সকলের মুখেই শোনা গিয়েছে ‘শোষিত, বঞ্চিত’দের যথাযথ খেয়াল না রাখার অভিযোগ। উত্তর প্রদেশে বিধানসভা ভোট দোরগোড়ায়। এরই মধ্যে এভাবে বিজেপি শিবিরে ভাঙন নিঃসন্দেহে যোগী-সরকারের জন্য একটা বড় ধাক্কা।