AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

বছরে ১২০ দিন ছুটি কাটান অক্ষয়! তবুও কেন মন ভরে না? ‘খিলাড়ি’র সিক্রেট ফাঁস

র্তমানে অক্ষয় কুমার ব্যস্ত তাঁর আসন্ন ছবি 'ভূত বাংলা' এবং কুইজ রিয়েলিটি শো 'হুইল অফ ফরচুন' নিয়ে। এই শো-এর একটি পর্বেই প্রতিযোগীর প্রশ্নের মুখে পড়ে খোলসা করেন তাঁর মনের সুপ্ত ইচ্ছা। এক প্রতিযোগী যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, জীবনে আর কী পাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর?

বছরে ১২০ দিন ছুটি কাটান অক্ষয়! তবুও কেন মন ভরে না? 'খিলাড়ি'র সিক্রেট ফাঁস
Image Credit: wikipedia
| Updated on: Mar 05, 2026 | 6:50 PM
Share

বলিউডের সবচেয়ে ব্যস্ত অভিনেতাদের তালিকায় তাঁর নাম থাকে একদম ওপরের দিকে। ভোর চারটেয় ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে বছরে চার-পাঁচটি সিনেমার কাজ শেষ করা অক্ষয় কুমারের অনুশাসনের গল্প ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই শোনা যায়। কিন্তু এই চূড়ান্ত ব্যস্ততার মাঝেও অভিনেতা নিজের পরিবারের জন্য কতটা সময় বরাদ্দ রাখেন, তা জানলে চমকে উঠবেন। সম্প্রতি এক রিয়েলিটি শো-এর মঞ্চে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এমনই এক গোপন কথা ভাগ করে নিয়েছেন ‘খিলাড়ি’ কুমার।

বর্তমানে অক্ষয় কুমার ব্যস্ত তাঁর আসন্ন ছবি ‘ভূত বাংলা’ এবং কুইজ রিয়েলিটি শো ‘হুইল অফ ফরচুন’ নিয়ে। এই শো-এর একটি পর্বেই প্রতিযোগীর প্রশ্নের মুখে পড়ে খোলসা করেন তাঁর মনের সুপ্ত ইচ্ছা। এক প্রতিযোগী যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, জীবনে আর কী পাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর? চিরপরিচিত রসবোধের সঙ্গে অক্ষয় প্রথমে রসিকতা করে বলেন, “আমার ইচ্ছা এটাই যেন শেষ প্রশ্ন হয়!”

তবে মজার পরেই আবেগঘন হয়ে পড়েন অভিনেতা। তিনি জানান, বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে অন্তত ১২০ দিন তিনি শুধুমাত্র তাঁর পরিবার— স্ত্রী টুইঙ্কল খন্না এবং দুই সন্তান আরভ ও নিতারার জন্য তুলে রাখেন। অর্থাৎ বছরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় তিনি কোনও কাজ করেন না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, এই বিশাল পরিমাণ সময় কাটানোর পরেও অক্ষয়ের মনে হয় তা যথেষ্ট নয়। তাঁর কথায়, “১২০ দিনও এখন কম মনে হয়, আরও বেশি সময় কাটাতে ইচ্ছে করে ওদের সঙ্গে।”

পর্দায় অক্ষয় মানেই ভরপুর বিনোদন। প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় দীর্ঘ সময় পর আবার ফিরছেন তিনি হরর-কমেডি ‘ভূত বাংলা’ নিয়ে। সঙ্গে রয়েছেন রাজপাল যাদব ও ওয়ামিকা গাব্বির মতো তারকারা। কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের এই ভারসাম্য বজায় রাখা যে সহজ নয়, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন অক্ষয়। বিশেষ করে আজকের দ্রুত গতির জীবনে যেখানে প্রিয়জনদের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেখানে অক্ষয়ের এই ১২০ দিনের ‘ফ্যামিলি টাইম’এর কথা শুনে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন তাঁর ভক্তরা।

ডিজিটাল দুনিয়ায় এই ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন অক্ষয়। কেউ বলছেন, “অক্ষয় আদর্শ বাবা,” তো কেউ বলছেন, “কাজের চাপের অজুহাত না দিয়ে পরিবারের গুরুত্ব বোঝা উচিত সবার।”