AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘আমার বাবা মায়ের বিয়ে ঠিক করে দেন ইন্দিরা গান্ধী’

সবচেয়ে মজার ঘটনাটি ঘটেছিল আমিশা বাবা-মায়ের বিয়ের সময়। অভিনেত্রীর কথায়, “বাবা-মায়ের বিয়ের জন্য কোনও কুষ্ঠি মেলানো হয়নি। দাদু সরাসরি ইন্দিরা গান্ধীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন— ইন্দিরা, তুমি কবে ফ্রি আছ? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন— আমি ৪ জুলাই ফাঁকা আছি। ব্যস, সেই কথা অনুযায়ী ৪ জুলাই মুম্বইয়ের তাজমহল প্যালেস হোটেলে বিয়ের তারিখ পাকা করা হয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি মেলাতেই পঞ্জিকার নিয়মকে তখন পাশে সরিয়ে রাখা হয়েছিল।

'আমার বাবা মায়ের বিয়ে ঠিক করে দেন ইন্দিরা গান্ধী'
বাড়িতেই ছিল নক্ষত্রদের মেলা
| Updated on: Apr 26, 2026 | 11:55 AM
Share

বলিউড অভিনেত্রী আমিশা পাটেলকে পর্দার ‘গদর’-এর সাকিনা হিসেবেই সকলে চেনেন। তবে পর্দার বাইরে এই অভিনেত্রীর পারিবারিক জীবন যে ভারতের রাজনীতির ইতিহাসের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে আছে, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমিশা এমন এক তথ্য ফাঁস করেছেন যা শুনে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর বাবা-মায়ের বিয়ের তারিখ নাকি কোনও পঞ্জিকা দেখে নয়, বরং ঠিক করেছিলেন খোদ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী!

আমিশার এই দাবির পেছনে রয়েছে তাঁর দাদু, বিখ্যাত ব্যারিস্টার রজনী প্যাটেলের প্রভাব। জওহরলাল নেহেরুর অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে রজনী প্যাটেল কংগ্রেসের সভাপতি এবং ইন্দিরা গান্ধীর প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। আমিশার দাবি অনুযায়ী, জন্মের পর হাসপাতালে তাঁকে দেখতে আসা প্রথম মানুষটি ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সময় গান্ধী পরিবারের সঙ্গে প্যাটেল পরিবারের সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ ছিল যে, রাজনীতির অনেক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইন্দিরা গান্ধী নাকি রজনী প্যাটেলের পরামর্শ নিতেন।

সবচেয়ে মজার ঘটনাটি ঘটেছিল আমিশা বাবা-মায়ের বিয়ের সময়। অভিনেত্রীর কথায়, “বাবা-মায়ের বিয়ের জন্য কোনও কুষ্ঠি মেলানো হয়নি। দাদু সরাসরি ইন্দিরা গান্ধীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন— ইন্দিরা, তুমি কবে ফ্রি আছ? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন— আমি ৪ জুলাই ফাঁকা আছি। ব্যস, সেই কথা অনুযায়ী ৪ জুলাই মুম্বইয়ের তাজমহল প্যালেস হোটেলে বিয়ের তারিখ পাকা করা হয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি মেলাতেই পঞ্জিকার নিয়মকে তখন পাশে সরিয়ে রাখা হয়েছিল।

কারা কারা আমন্ত্রিত ছিলেন বিয়েতে?

আমিশা আরও জানান, শুধু রাজনীতি নয়, শিল্প ও সংস্কৃতির জগতের কিংবদন্তিদের মাঝেই তাঁর বেড়ে ওঠা। সেই বাড়িতে দেব আনন্দ, দিলীপ কুমার থেকে শুরু করে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এম.এফ. হোসেনের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। হোসেন সাহেব তো মাঝেমধ্যে বাড়ির দেওয়ালে ছবি এঁকে দিয়ে চলে যেতেন! এমনকি ওরলির নেহেরু প্ল্যানেটোরিয়াম তৈরির পেছনেও ছিল তাঁর দাদুর বড় অবদান। এককালে বলিউডে রাজ করা এই নায়িকা যে এমন প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক বংশের উত্তরসূরি,তা অনেকের কাছেই এখনও অজানা। নিজের এই আভিজাত্য এবং বর্ণময় ছোটবেলার কথা বলতে গিয়ে আমিশা বেশ সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন সেই সোনালি দিনগুলোর গল্প।

Follow Us