AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

একটা গান মুক্তির জন্য ৭৩০ দিন অপেক্ষা! কী ঘটেছিল অরিজিতের সঙ্গে?

অরিজিতের বলিউড অভিষেক হয়েছিল ২০১১ সালে ‘মার্ডার ২’ সিনেমার ‘ফির মহব্বত’ গানটির মাধ্যমে। কিন্তু অবাক করার মত বিষয় হল, গানটি তিনি রেকর্ড করেছিলেন তারও দুই বছর আগে, অর্থাৎ ২০০৯ সালে। দীর্ঘ সময় গানটি মুক্তি পায়নি। অরিজিৎ নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি গানটির কথা ভুলেই গিয়েছিলেন। পরে যখন এক বন্ধুর মুখে শোনেন গানটি রিলিজ হয়েছে এবং সুপারহিট, তখন তিনি নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারেননি।

একটা গান মুক্তির জন্য ৭৩০ দিন অপেক্ষা! কী ঘটেছিল অরিজিতের সঙ্গে?
Image Credit: wikipedia
| Updated on: Mar 06, 2026 | 3:40 PM
Share

বলিউড প্লেব্যাক দুনিয়ার সম্রাট অরিজিৎ সিং বিদায় নিয়েছেন প্লেব্যাক থেকে। সলমন খানের ‘ব্যাটেল অফ গালওয়ান’ ছবিতে শ্রেয়া ঘোষালের সঙ্গে ‘মাতৃভূমি’ গানটি মুক্তি পাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর অবসরের ঘোষণা যেন বজ্রপাতের মতো আছড়ে পড়েছে অনুরাগী মহলে। কিন্তু এই বিদায়বেলায় নতুন করে চর্চায় উঠে আসছে তাঁর কেরিয়ারের সেই শুরুর দিকের এক কঠিন অধ্যায়। জানলে অবাক হবেন, আজকের সুপারস্টার অরিজিৎকে তাঁর প্রথম বলিউড গানের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল দীর্ঘ ৭৩০ দিন!

অরিজিতের বলিউড অভিষেক হয়েছিল ২০১১ সালে ‘মার্ডার ২’ সিনেমার ‘ফির মহব্বত’ গানটির মাধ্যমে। কিন্তু অবাক করার মত বিষয় হল, গানটি তিনি রেকর্ড করেছিলেন তারও দুই বছর আগে, অর্থাৎ ২০০৯ সালে। দীর্ঘ সময় গানটি মুক্তি পায়নি। অরিজিৎ নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তিনি গানটির কথা ভুলেই গিয়েছিলেন। পরে যখন এক বন্ধুর মুখে শোনেন গানটি রিলিজ হয়েছে এবং সুপারহিট, তখন তিনি নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারেননি। সেই সময় তিনি মিউজিক প্রোগ্রামিং নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে প্লেব্যাক নিয়ে তাঁর খুব একটা উচ্চাশাও ছিল না।

মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের ছেলে অরিজিৎ ছোটবেলা থেকেই ধ্রুপদী সঙ্গীতে তালিম নিয়েছেন গুরু রাজেন্দ্র প্রসাদ হাজারির কাছে। গুরুর নির্দেশেই তিনি পা রেখেছিলেন রিয়্যালিটি শো ‘ফেম গুরুকুল’-এ। সেখানে জিততে না পারলেও ‘১০ কে ১০ লে গয়ে দিল’ প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার পান তিনি। ‘বরফি’র ‘ফির লে আয়া দিল’ বা ‘এজেন্ট বিনোদ’-এর ‘রাবতা’ দিয়ে গলার জাদু টের পাওয়া গেলেও, ২০১৩ সালের ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গানটি তাঁকে বিশাল পরিচিতি দেয়।

অবসরের নেপথ্যে কোন কারণ?

হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত? তা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, অরিজিৎ হয়তো এখন নিভৃতে নিজের মতো করে সঙ্গীতচর্চা করতে চান। যদিও তাঁর এই প্রস্থান বলিউড মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করবে। ২০০৯ সালের সেই স্ট্রাগল থেকে ২০২৬-এর এই শীর্ষে থাকা— অরিজিতের সফর যে কোনও সিনেমার গল্পের চেয়ে কম কিছু নয়। ভক্তদের এখন একটাই প্রার্থনা, সম্রাট যেন তাঁর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন।