আস্ত কুমিরের সঙ্গে শুটিং! ছবি শুটিংয়ে ভয়ঙ্কর কাণ্ড, কী ঘটে?
পরিচালক জানান, কুমিরের দৃশ্যগুলোর জন্য তিন রকম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। ভিএফএক্স, যান্ত্রিক কুমিরেরও ব্যবহার হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট দৃশ্যে ব্যবহার করা হয় আসল কুমির। সেই শুটিংয়ের সময় নিরাপত্তার বিষয়টি ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষিত টিম, বিশেষজ্ঞ ও সম্পূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই এই শুট করা হয় বলে জানান পরিচালক।

পরিচালক বিজয় নাম্বিয়ার থ্রিলার ছবি মানেই পর্দায় টানটান উত্তেজনা তবে পর্দায় দেখা দর্শকদের অনেক পছন্দের দৃশ্যের পিছনেই থাকে ঝুঁকিপূর্ণ শুটিংয়ের গল্প । পরিচালক বিজয় নিম্বিয়ার নতুন ছবি ‘তু ইয়া ম্যায়’ এর শুটিং ছিল ভয়াবহ ঝুঁকিপুর্ণ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক জানিয়েছেন, এই ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে আসল কুমিরের সঙ্গে শুটিং করা হয়েছে। এই রূপ ঝুঁকি নেওয়ার থেকে সকলেই বিরত থাকতে বলেছিলেন পরিচালককে। তবে চ্যালেঞ্জ নিতে বরাবরই ভালোবাসেন পরিচালক। তাই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসেননি তিনি।
ঠিক কী ঘটেছিল শুটিং চলাকালীন?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা নিজেই ভাগ করে নিলেন পরিচালক। বিজয় বলেন, “সবাই আমাকে বলেছিলেন এটা করবে না। খুব বিপজ্জনক। কিন্তু আমি মনে করেছিলাম, গল্পের বাস্তবতা ধরে রাখতে হলে কিছুটা ঝুঁকি নিতেই হবে।” তাঁর কথায়, ভিএফএক্স দিয়ে তৈরি দৃশ্য সব সময় সেই ভয় তৈরি করতে পারে না, যেটা বাস্তব থেকে আসে।
দুই কনটেন্ট ক্রিয়েটারের গল্পের প্রেক্ষাপটেই এই ছবি। যাদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদর্শ গৌরব ও শানায়া কাপুর। একটি দুর্গম এলাকায় গিয়ে তাঁরা এমন এক পরিস্থিতিতে পড়ে, যেখানে প্রাণ বাঁচানোই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই নিয়েই এগোবে গল্প। গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশে রয়েছে একটি কুমির, সম্ভবত গল্পের টার্নিং পয়েন্ট কুমিরই।
আসল কুমির নিয়ে কীভাবে হয়েছিল শুটিং?
পরিচালক জানান, কুমিরের দৃশ্যগুলোর জন্য তিন রকম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। ভিএফএক্স, যান্ত্রিক কুমিরেরও ব্যবহার হয়েছে। একটি নির্দিষ্ট দৃশ্যে ব্যবহার করা হয় আসল কুমির। সেই শুটিংয়ের সময় নিরাপত্তার বিষয়টি ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষিত টিম, বিশেষজ্ঞ ও সম্পূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যেই এই শুট করা হয় বলে জানান পরিচালক।
বিজয় নাম্বিয়ার আরও বলেন, অভিনেতাদের ওপর কোনও রকম বাড়তি চাপ দেওয়া হয়নি। সব কিছু খুব পরিকল্পনা করে, ধাপে ধাপে করা হয়েছে। শানায়া ও আদর্শ দুজনেই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন এবং পুরো টিম একসঙ্গে কাজ করেছে যাতে কোনও ঝুঁকি না থাকে।
এই অভিজ্ঞতা নিয়ে পরিচালক অকপটে স্বীকার করেছেন শুটিংয়ে ভয় ছিল, কিন্তু ছবির প্রয়োজনে সেই ভয়কেই জয় করতে হয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, এই বাস্তব অভিজ্ঞতাই ছবির উত্তেজনা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
