Bigg Boss Bangla: মাঝরাতে সৃজলার পাশের খাটে শুয়ে খুল্লামখুল্লা ফ্লার্ট রাজবীরের! বললেন ‘তোমাকে আমার খুব…’
Rajveer Dey: বিগ বস বাংলায় এসেই খেলা জমিয়ে দিয়েছেন রাজবীর দে। আগে জয়িতার জন্য খাট দখল করে সবার বিরুদ্ধে গিয়েছিলেন, আর এখন সৃজলা ও নন্দিনীর সঙ্গেও খুল্লামখুল্লা ফ্লার্টে মেতেছেন তিনি। কী ঘটে চলেছে বিগ বসের ঘরে?

রাজবীর দে (Rajveer Dey) বিগ বসের ঘরে পা রাখা মাত্রই যেন চারদিকে ঝড় উঠেছে। শিলিগুড়ির এই সুপুরুষ মডেল তথা অভিনেতা ঘরে ঢুকেই পুরো খেলার ভোল পাল্টে দিয়েছেন। তবে তাঁর সেই খেলার আসল হাতিয়ার কি শুধুই রোম্যান্স? ঘরে আগেই জয়িতা চ্যাটার্জির পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে নজর কেড়েছিলেন তিনি। আর এখন তাঁর নজর পড়েছে সৃজলা গুহ এবং নন্দিনী দত্তের দিকেও। তবে নতুনদের সঙ্গে খুনসুটি বাড়লেও জয়িতাকে কিন্তু একেবারেই ভোলেননি তিনি, তাঁর সঙ্গেও সমান তালে বজায় রেখেছেন মিষ্টি ভাব ও ফ্লার্ট!
সম্প্রতি রাতের অন্ধকারে এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন রাজবীর। লাইট নিভতেই সৃজলার বিছানার পাশে শুয়ে ফিসফিস করে রাজবীর বলে ওঠেন, “তুমি কি সুন্দর। কী কিউট। আমার তোমায় খুব পছন্দ। খুব ভাল লাগে।” সেই শুনে সৃজলাও মিষ্টি হেসে লজ্জা পেয়ে উত্তর দেন, “এবার থেকে পাগলের মতো থাকব।” রাজবীর ঘরে আসার পর থেকেই সৃজলার মন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক এরপরেই তাঁর নজর যায় নন্দিনীর দিকেও। কাজের ফাঁকে নন্দিনী যখন জানান যে তাঁর ফোনের ওয়ালপেপারে বিগ বসের ট্রফির ছবি লাগানো এবং খেতাব জেতাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য, তখন রাজবীর সাফ বলে বসেন, এবারের ট্রফি তিনিই জিতবেন, নন্দিনী যেন পরের বার চেষ্টা করেন। নন্দিনীও পাল্টা জানান, “আমার এত সময় নেই। আমি এবারই জিতব।” কথার ফাঁকেই নন্দিনীকেও ‘সুন্দরী’ ও ‘কিউট’ বলে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন রাজবীর।
তবে এই ফ্লার্টের খেলা কিন্তু নতুন নয়। এর আগের পর্বেই জয়িতা চ্যাটার্জির জন্য পুরো ঘরের বিরুদ্ধে গিয়ে লড়তে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। মনামী ঘোষের ঠিক করে রাখা সিঙ্গেল খাটটি জোর করে দখল করে নেন রাজবীর। শুরু হয় তুমুল চিৎকার আর অশান্তি। খাট ছাড়ার বদলে তিনি সবার সামনে সাফ শর্ত দিয়ে বলেন, “তোমরা সবাই কথা দাও যে জয়িতাকে কেউ টার্গেট করবে না, তবেই আমি এই বিছানা ছাড়ব।” শুধু তাই নয়, রাজবীর গোপনে জয়িতাকে এ-ও কথা দিয়েছেন যে ক্যাপ্টেন্সির চাবি হাতে পেলে তা তুলে দেবেন জয়িতার হাতেই। দুর্নিবার সাহার সঙ্গে জয়িতার ঝামেলাতেও সবার আগে বুক চিতিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন তিনি।
ক্যাপ্টেন্সি টাস্কে গ্রামের মোড়ল সেজে রাজবীর যখন নিজের নিয়ম চালাচ্ছিলেন, তখন ঘরের বাকিদের ‘ভেড়া’ এবং ‘চাঙ্গি মুঙ্গির দল’ বলে কটাক্ষ করেন। তা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তনুশ্রী রায় দাস, নিরঞ্জন মণ্ডল থেকে শুরু করে শান্ত স্বভাবের প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস ও সায়ক চক্রবর্তী।
একদিকে জয়িতার জন্য খাট দখলের লড়াই ও তাঁকে আগলে রাখা, অন্যদিকে সৃজলা ও নন্দিনীর সঙ্গে রাত-দিন খুল্লামখুল্লা ফ্লার্ট, একসঙ্গে তিন নায়িকার মন জয়ের এই কৌশল দেখে দর্শকেরা তাজ্জব। এটা কি রাজবীরের মনের ভালোলাগা, নাকি ট্রফি জেতার আসল গেম প্ল্যান? সেটাই এখন দেখার।
