AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

রানির মাঝরাতে অসম্ভব পেটে যন্ত্রণা, হাসপাতালে গিয়ে জানলেন ৫ মাসের সন্তান গর্ভেই নষ্ট

Rani Mukherjee: পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন রানি মুখোপাধ্যায়। ছিল লকডাউনের সময়ও। হঠাৎই পেটে অসম্ভব যন্ত্রণা শুরু হয়। প্রায় মধ্যরাতে হাসপাতালে ছুটতে হয় রানি মুখোপাধ্যায়কে। পাশে ছিলেন কেবলমাত্র স্বামী আদিত্য চোপড়াই। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জানতে পারেন, সন্তান গর্ভেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাঁর।

রানির মাঝরাতে অসম্ভব পেটে যন্ত্রণা, হাসপাতালে গিয়ে জানলেন ৫ মাসের সন্তান গর্ভেই নষ্ট
রানি মুখোপাধ্যায়।
| Updated on: May 10, 2024 | 4:01 PM
Share

৪৬ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখোপাধ্য়ায়ের। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্দি সিনেমাকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন মুম্বইয়ের এই বাঙালি অভিনেত্রী। তিনি বিয়ে করেছেন যশরাজের মালিক প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে। তাঁদের ফুটফুটে কন্যা সন্তানও রয়েছে। আদিরা। যাকে নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসেন রানি। কিন্তু কেবল আদিরা নয়, আরও এক সন্তানের মা হওয়ার কথা ছিল রানির। সেই সন্তান পৃথিবীর আলো দেখার আগেই গর্ভে নষ্ট হয়ে যায়।

সেই সময় পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন রানি মুখোপাধ্যায়। ছিল লকডাউনের সময়ও। হঠাৎই পেটে অসম্ভব যন্ত্রণা শুরু হয়। প্রায় মধ্যরাতে হাসপাতালে ছুটতে হয় রানি মুখোপাধ্যায়কে। পাশে ছিলেন কেবলমাত্র স্বামী আদিত্য চোপড়াই। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জানতে পারেন, সন্তান গর্ভেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাঁর।

যে সময় রানি দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে চেয়েছিলেন, তাঁর বয়স অনেকটাই হয়েছে। প্রায় ৪০ ছুঁইছুঁই। শরীরের পক্ষে সম্ভব ছিল না আরও এক সন্তান জন্মের ধকল সহ্য করার। রানি অসহায় হয়ে পড়েন। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি বাস মিস করেছিলাম। আমার সন্তান পৃথিবীর আলো দেখার অনেক আগেই চলে গেল।”

এই ঘটনার কথা অনেকদিন পর্যন্ত নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিলেন রানি। মিসক্যারেজের পর ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতে নরওয়ে সরকার রানি অভিনীত চরিত্রের থেকে তার দুই সন্তানকে কেড়ে নেয়। তাকে অযোগ্য মায়ের তকমা দেওয়া হয়। রানির গর্ভপাত এবং এই ছবির চিত্রনাট্য–দুটো দারুণ মিলে গিয়েছিল। কিন্তু সেই ছবির প্রচারের সময় রানি তাঁর জীবনের গর্ভপাতের করুণ কাহিনিকে প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেননি।