অসহায় প্রাণীদের জন্য জুনের উদ্যোগ, কেন পদক্ষেপ করলেন?
এই মুহূর্তে জুন দেশের একজন সাংসদ। তাঁকে কাজে দিল্লি যেতে দেখা যায়। থাকেন কলকাতা শহরে। আবার নিয়মিত পৌঁছে যান তাঁর এলাকা মেদিনীপুরে। অভিনয়ে নামী নাম জুন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরাগী ছিল বরাবর। তবে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছেন ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন লড়ার সময়ে।

টলিপাড়ার তারকাদের পোষ্যপ্রেম বরাবর চর্চিত। অধিকাংশ তারকাদের বাড়িতে পোষ্য রয়েছে। পাশাপাশি পথে থাকে যেসব পোষ্যরা, তাঁদের খাবার দেওয়া বা প্রয়োজনে চিকিত্সা করাতে এগিয়ে আসার মতো কাজ নিয়মিত করে চলেছেন তারকারা। জুন মালিয়া তাঁদের মধ্যে অন্যতম নাম।
এই মুহূর্তে জুন দেশের একজন সাংসদ। তাঁকে কাজে দিল্লি যেতে দেখা যায়। থাকেন কলকাতা শহরে। আবার নিয়মিত পৌঁছে যান তাঁর এলাকা মেদিনীপুরে। অভিনয়ে নামী নাম জুন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরাগী ছিল বরাবর। তবে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছেন ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন লড়ার সময়ে। বেশ লড়াই করে জয় ছিনিয়ে এনেছিলেন। এরপর অভিনেত্রীর উপর মুখ্যমন্ত্রী আরও বেশি করে আস্থা রাখেন। পরবর্তী নির্বাচন মানে সাংসদ হওয়ার লড়াইয়ে টিকিট পান জুন। জেতার পর থেকে তাঁর এলাকায় নিয়মিত কাজ করে চলেছেন।
যার মধ্যে নতুন সংযোজন হল, একটা শেল্টার হোমের উদ্বোধন। জুন TV9 বাংলাকে জানালেন, ”উদ্বোধন করলাম পথের অসহায় প্রাণীদের জন্য একটি অ্যানিমাল শেল্টার হোম ও রেসকিউ সেন্টার। আমার এমপি ল্যাড তহবিল থেকে ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কেন্দ্রটিতে টিকাকরণ, সার্জারির ব্যবস্থা থাকবে। ফার্মেসি থাকার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা থাকবে। প্রাণীকল্যাণ ও মানবিক সমাজ গঠনে এটাকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছি।” এমনই বিভিন্ন কাজের মধ্যে দিয়ে সমাজকে প্রভাবিত করার কাজ তিনি বন্ধ করবেন না, সেই প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেল।
জুনের অনুরাগীরা এটাও জানতে চান, কবে মেগা ধারাবাহিকে আবার তাঁকে দেখা যাবে? এখন পর্যন্ত যা খবর, এই বছরের মাঝামাঝি নাগাদ ধারাবাহিকে ফিরতে পারেন অভিনেত্রী।
