AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘ধুরন্ধর’কে টেক্কা দিতে পাকিস্তানে মুক্তি পেল ‘মেরি লিয়ারি’, কেমন এই ছবি?

আসলে ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে পাকিস্তানের লিয়ারি অঞ্চলের গ্যাংস্টার রাজ এবং সেখানকার অপরাধ জগতের অন্ধকার দিকটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। রূপোলি পর্দায় লিয়ারির এই রূপ মেনে নিতে পারেননি পাকিস্তানের দর্শকদের একাংশ। তাঁদের দাবি ছিল, লিয়ারিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই বদনাম মুছতেই প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে পাকিস্তানি নির্মাতারা পর্দায় নিয়ে আসেন ‘মেরা লিয়ারি’।

'ধুরন্ধর'কে টেক্কা দিতে পাকিস্তানে মুক্তি পেল 'মেরি লিয়ারি', কেমন এই ছবি?
| Updated on: May 15, 2026 | 4:17 PM
Share

বলিউডি ব্লকবাস্টার ‘ধুরন্ধর’-এর পালটা জবাব দিতে গিয়ে বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ল পাকিস্তানি ছবি ‘মেরা লিয়ারি’। ভারতের ‘ধুরন্ধর’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে প্রতিবেশী দেশে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। তারই প্রত্যুত্তরে তড়িঘড়ি তৈরি হয় ‘মেরা লিয়ারি’। ছবিটিকে ঘিরে দুই দেশের দর্শকদের মধ্যেই কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। অবশেষে গত ৮ মে মুক্তি পায় ছবিটি, কিন্তু বক্স অফিসের রিপোর্ট আসতেই চোখ চড়কগাছ চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের।

আসলে ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে পাকিস্তানের লিয়ারি অঞ্চলের গ্যাংস্টার রাজ এবং সেখানকার অপরাধ জগতের অন্ধকার দিকটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। রূপোলি পর্দায় লিয়ারির এই রূপ মেনে নিতে পারেননি পাকিস্তানের দর্শকদের একাংশ। তাঁদের দাবি ছিল, লিয়ারিকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই বদনাম মুছতেই প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে পাকিস্তানি নির্মাতারা পর্দায় নিয়ে আসেন ‘মেরা লিয়ারি’। কিন্তু রিলিজের পর দেখা গেল, প্রতিবাদের সেই বেলুন একেবারেই ফুস!

সূত্রের খবর, মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানতে এক্কেবারে ব্যর্থ এই ছবি। শোনা যাচ্ছে, গোটা পাকিস্তানে এই ছবির নাকি মাত্র ২২টি টিকিট বিক্রি হয়েছে! ছবির দুর্বল নির্মাণ আর কচ্ছপ গতির চিত্রনাট্য খোদ পাকিস্তানের দর্শকরাই হজম করতে পারেননি। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক ধারণ করে যে, মুক্তির ঠিক পরের দিনই হল থেকে শো তুলে দিতে বাধ্য হন প্রেক্ষাগৃহের মালিকেরা।

পাকিস্তানি পরিচালক আবু আলিহা অবশ্য অন্য এক লিয়ারির গল্প বলতে চেয়েছিলেন। ফুটবল খেলার প্রতি লিয়ারির দুই মহিলার আবেগ এবং সমস্ত সামাজিক ও পারিবারিক বাধা পেরিয়ে তাঁদের খেলোয়াড় হয়ে ওঠার লড়াই ছিল এই ছবির মূল উপজীব্য। লিয়ারির বাসিন্দারা যে আদতে স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন এবং নিজেদের কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান, সেটাই ১০০ মিনিটের এই সেলুলয়েডে দেখাতে চেয়েছিলেন পরিচালক। কিন্তু উদ্দেশ্য মহৎ হলেও দুর্বল মেকিংয়ের কারণে বক্স অফিসে খাতা খোলার আগেই বিদায় নিল ছবিটি। অন্যদিকে, ‘ধুরন্ধর’ এবং তার সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ এখনও ভারতসহ বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে দাপটের সঙ্গে ঝড় তুলে চলেছে।

Follow Us