AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘ধুরন্ধর ২’ কি সত্যিই প্রোপাগান্ডা? ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ আটকে যাওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মিঠুন

মিঠুন মনে করেন, কোনও ছবিকে প্রোপাগান্ডা বলে দাগিয়ে দেওয়াটা আসলে এক ধরনের ‘দাদাগিরি’। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষ যদি ছবিটিকে গ্রহণ না করত, তবে এটি বক্স অফিসের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিত না। সব সম্প্রদায়ের মানুষ হলে গিয়ে ছবিটা দেখেছেন এবং বারবার দেখছেন বলেই আজ ‘ধুরন্ধর ২’ এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।

‘ধুরন্ধর ২’ কি সত্যিই প্রোপাগান্ডা? ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ আটকে যাওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মিঠুন
| Updated on: Apr 02, 2026 | 5:33 PM
Share

বক্স অফিসে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে আদিত্য ধরের নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। রণবীর সিংয়ের দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স আর টানটান গল্পে বুঁদ হয়ে রয়েছে দর্শকরা। মাত্র ১১ দিনেই ১৩০০ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়া এই ছবিকে নিয়ে যখন চারদিকে জয়জয়কার, তখনই মাথা চাড়া দিয়েছে এক বিতর্ক। নেটিজেনদের একাংশ এই ছবিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিনেমা বলে দাগিয়ে দিচ্ছেন। আর এই বিতর্কিত ইস্যুতেই এবার মুখ খুললেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। অভিনেতা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি ‘ধুরন্ধর ২’ প্রোপাগান্ডা হয়ে থাকে, তবে তাঁর ছবি ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’-কে কেন মুক্তির অনুমতি দেওয়া হল না?

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে মিঠুন চক্রবর্তী রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর নিশানায় ছিল বিগত বছরে তাঁর নিজের ছবি ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ আটকে দেওয়ার ঘটনাটি। নোয়াখালীর দাঙ্গার মতো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তৈরি সেই ছবিটিকে বাংলায় মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়নি। মিঠুনের সাফ কথা, “বেঙ্গল ফাইলস মুক্তি পেতে দেওয়া হল না, এর থেকে বড় আক্ষেপের আর কী হতে পারে? এখন ধুরন্ধর-কে যদি আপনারা প্রোপাগান্ডা বলেন, তবে এটাকেও তো আটকে দেওয়া উচিত ছিল? ছবিটা মুক্তি পেল, সবাই দেখল, আর এখন বলা হচ্ছে প্রোপাগান্ডা!”

মিঠুন মনে করেন, কোনও ছবিকে প্রোপাগান্ডা বলে দাগিয়ে দেওয়াটা আসলে এক ধরনের ‘দাদাগিরি’। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষ যদি ছবিটিকে গ্রহণ না করত, তবে এটি বক্স অফিসের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিত না। সব সম্প্রদায়ের মানুষ হলে গিয়ে ছবিটা দেখেছেন এবং বারবার দেখছেন বলেই আজ ‘ধুরন্ধর ২’ এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।

২০২৫ সালে মিঠুনের ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ যখন সেন্সরশিপ বা রাজনৈতিক বাধার মুখে পড়েছিল, তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে চাপা উত্তেজনা ছিল। এবার রণবীর সিংয়ের ছবির সাফল্য সেই পুরনো ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার বদলে বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে অনুপম খের এবং রামগোপাল ভার্মার মতো ব্যক্তিত্বরাও ছবিটির পাশে দাঁড়িয়েছেন। নেটিজেনদের একাংশ যখন সিনেমাটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন, তখন মিঠুন দাঁড়িয়েছেন সৃজনশীল স্বাধীনতার পক্ষে।

রণবীর সিং ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন এবং সারা অর্জুনের মতো তারকারা। শেষ পর্যন্ত এই ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমা ছবির সাফল্যে কোনও প্রভাব ফেলে কি না, সেটাই এখন দেখার।

Follow Us