‘টাকা পেয়েছি, তাই তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচার’, সত্যিটা বলে দিলেন ‘ভাইরাল’ নন্দিনী
এবারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেশ কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটারকে সোশ্যাল মিডিয়াতে এমন কিছু গল্প তুলে ধরতে দেখা গিয়েছে, যা দেখে বোঝা গিয়েছিল, তাঁদের কনটেন্ট সবুজ শিবিরের পক্ষে। অথবা গেরুয়া শিবিরের পক্ষে। এমনই একটি কনটেন্ট তৈরি করেছিলেন নন্দিনী গঙ্গোপাধ্যায়। এক সময়ে ভাতের হোটেল চালাতেন যিনি।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেশ কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটারকে সোশ্যাল মিডিয়াতে এমন কিছু গল্প তুলে ধরতে দেখা গিয়েছে, যা দেখে বোঝা গিয়েছিল, তাঁদের কনটেন্ট সবুজ শিবিরের পক্ষে। অথবা গেরুয়া শিবিরের পক্ষে। এমনই একটি কনটেন্ট তৈরি করেছিলেন নন্দিনী গঙ্গোপাধ্যায়। এক সময়ে ভাতের হোটেল চালাতেন যিনি। সেখান থেকেই পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এখন আর সেই হোটেল নেই। নন্দিনী কনটেন্ট ক্রিয়েটার হিসাবে কাজ করেন। ফুড বিজনেসের সঙ্গেও জড়িত।
এবার একটা ভিডিয়ো পোস্ট করে নন্দিনী খোলসা করলেন, ”আমাকে অনেকে চটিচাটা বলছে। অনেকে দিদিভক্ত বলছে। আমি চটিচাটা নই, রামভক্ত হনুমানও নই। আমি কোনও পার্টি করি না। আমাকে একটা দল (তৃণমূল কংগ্রেস) প্রোমোশন করার জন্য টাকা দিয়েছে। তাই আমি তাদের থেকে টাকা নিয়ে প্রোমোশন করেছি। অন্য কোনও দল এলেও তাদের প্রোমোশন করব। তাদের থেকে টাকা নিয়েই করব।”
শুধু নন্দিনী নন, টলিপাড়ার বহু মুখ প্রচার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে। আবার কেউ-কেউ প্রচার করেছেন গেরুয়া শিবিরের হয়ে। কারও মতে, শুধু পারিশ্রমিকের বিনিময়ে তিনি এমন প্রচার করেছেন। আবার কারও মত, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী। যেমন বনি সেনগুপ্ত প্রচারে গিয়ে বলেছেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী। পরিচালক শুভ্রজিত্ মিত্র প্রশ্ন তুলেছেন, এসব পেমেন্ট কীভাবে হয়েছে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি, যিনি এরকম প্রচার কো-অর্ডিনেট করেছেন, তিনি জানালেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্যাশ পেমেন্ট হয়েছে। এই নিয়ে টলিপাড়া কোনও সমস্যায় জড়িয়ে পড়ে কিনা, সেটা দেখার অপেক্ষা।
