AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘আমার কাছে টাকা নেই, কোনও বন্ধু নেই…’, জেলে ভেঙে পড়লেন অভিনেতা রাজপাল

সম্প্রতি অভিনেতা রাজপাল যাদব দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন, একটি চেক বাউন্স মামলায় আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করে। প্রায় ২.৫ কোটি টাকার এই মামলায় দিল্লি হাই কোর্ট তহবিলের ব্যবস্থা করার জন্য আরও সময় চেয়ে করা তাঁর শেষ আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে তাঁর ২০১০ সালের পরিচালিত ছবি 'আতা পাতা লাপাতা'-র সঙ্গে সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়েরও অবসান ঘটেছে।

'আমার কাছে টাকা নেই, কোনও বন্ধু নেই...', জেলে ভেঙে পড়লেন অভিনেতা রাজপাল
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2026 | 12:10 PM
Share

সম্প্রতি অভিনেতা রাজপাল যাদব দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন, একটি চেক বাউন্স মামলায় আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করে। প্রায় ২.৫ কোটি টাকার এই মামলায় দিল্লি হাই কোর্ট তহবিলের ব্যবস্থা করার জন্য আরও সময় চেয়ে করা তাঁর শেষ আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে তাঁর ২০১০ সালের পরিচালিত ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা’-র সঙ্গে সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়েরও অবসান ঘটেছে।

সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আত্মসমর্পণের ঠিক আগে রাজপাল যাদব আবেগঘন মন্তব্য করেন। পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ভেঙে পড়েন তিনি। তিনি বলেন, “স্যার, আমি কী করব? আমার কাছে টাকা নেই। আর কোনও উপায় দেখছি না… স্যর, এখানে আমরা সবাই একা। কোনও বন্ধু নেই। এই সংকট আমাকে একাই মোকাবিলা করতে হবে।”

এই মামলার সূত্রপাত ২০১০ সালে, যখন রাজপাল যাদব তাঁর পরিচালিত ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য মুরালি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নেন। ছবিটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হওয়ায় অভিনেতা আর্থিক সংকটে পড়েন এবং ঋণ শোধ করতে অসুবিধার সম্মুখীন হন। পরবর্তীতে যাদবের জারি করা একাধিক চেক বাউন্স করে, যার ফলে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হয়।

২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে একটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় রাজপাল যাদব ও তাঁর স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং তাঁদের ছয় মাসের কারাদণ্ডের সাজা দেয়। যদিও যাদব এই রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক আপিল করেন ও স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করেন, তবুও মামলা বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে বকেয়া অর্থের পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৯ কোটি টাকায় পৌঁছায় বলে জানা যায়।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিনেতা বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধ করেন, যার মধ্যে ২০২৫ সালে ৭৫ লক্ষ টাকা দেওয়াও অন্তর্ভুক্ত। ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি স্বর্ণা কান্তা শর্মা অর্থের ব্যবস্থা করার জন্য এক সপ্তাহ সময় চেয়ে করা রাজপাল যাদবের শেষ আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত জানায়, কোনও ব্যক্তির জনপরিচিতি যাই হোক না কেন, বারবার ছাড় দেওয়া যায় না এবং অভিনেতাকে আর কোনও বিলম্ব ছাড়াই আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।