AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

দিব্যজ্যোতি-দিব্যাণীর ঘন চুমু, প্রেমের দিনে কী ঘটল?

টলিউডে এমন প্রেমের ছবি কই, যা দেখে মনটা হু-হু করে ওঠে? প্রথম প্রেমের দিনগুলোতে ফিরে যাওয়া যায়? জেন জি-দের প্রেমের ধরন অবশ্য আলাদা! এবার প্রেমে টইটুম্বুর একটা বাংলা ছবি নিয়ে আসছেন প্রযোজক রানা সরকার আর পরিচালক অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। ছবির নাম 'রেড ফ্ল্যাগ ভালোবাসা বেশি'।

দিব্যজ্যোতি-দিব্যাণীর ঘন চুমু, প্রেমের দিনে কী ঘটল?
| Edited By: | Updated on: Feb 14, 2026 | 11:15 AM
Share

টলিউডে এমন প্রেমের ছবি কই, যা দেখে মনটা হু-হু করে ওঠে? প্রথম প্রেমের দিনগুলোতে ফিরে যাওয়া যায়? জেন জি-দের প্রেমের ধরন অবশ্য আলাদা! এবার প্রেমে টইটুম্বুর একটা বাংলা ছবি নিয়ে আসছেন প্রযোজক রানা সরকার আর পরিচালক অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। ছবির নাম ‘রেড ফ্ল্যাগ ভালোবাসা বেশি’।

ছবির গল্প কীরকম? অভিমন্যু বললেন, ”শহরের একজন মেয়ের চরিত্রে দিব্যাণীকে দেখা যাবে। মফস্সলে এসে তাঁর একটি ছেলের সঙ্গে দেখা হয়, যে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হতে চায়। ফুড ব্লগিং করে। আচমকা প্রেম হয়। কিন্তু সেই প্রেমের পরিণতি কী হবে, সেই প্রেম কতটা টক্সিক, এসব উত্তর পাওয়া যাবে ছবিতে।”

লক্ষণীয় দিব্যজ্যোতি দত্ত আর দিব্যাণী মণ্ডল বাংলা ধারাবাহিকের ভীষণ জনপ্রিয় মুখ। বাঙালির ড্রয়িংরুমে তাঁদের কদর তুঙ্গে। এমন দুই অভিনেতা-অভিনেত্রীকে জুটি করে এনেই চমকে দিলেন প্রযোজক-পরিচালক। এমন প্রেমের ছবিতে এক সময়ে দাপট দেখাতেন পরিচাবক রাজ চক্রবর্তী। রাজের টিমে অভিমন্যু বহুদিন কাজ করেছেন। সুপারহিট প্রেমের ছবি তৈরি করতে, ঠিক কী লাগে, রাজের থেকে এমন তিনটে জিনিস কী শিখেছেন তিনি? ”প্রথমেই বলি, প্রেমিক মানুষ হতে হয়! নায়ক-নায়িকার মধ্যে রসায়নটাই সব। তাঁদের রসায়ন নজর কাড়লে আর কিছুই লাগে না। আর ভালো গান থাকতেই হবে প্রেমের ছবি হিট হতে গেলে”, হাসের পরিচালক। এই ছবির গানেও চমক থাকবে। কে সঙ্গীত পরিচালক, তা ক্রমশ প্রকাশ্য।

পোস্টারের শুটিংয়ে চুমু খাওয়ার সময় দিব্য-দিব্যাণী অস্বস্তিতে ভুগলেন কি? অভিমন্যু বললেন, ”একটু অস্বস্তি ছিল। তবে ওঁরা একে-অন্যকে চেনে। ওঁদের বন্ধুত্ব আছে। সেই কারণে একটা কমফর্ট জোন আছে। দু’ জনেই পেশাদার। তাই এই শুটিংয়ে সমস্যা হয়নি।” ছবির শুটিং শুরু হবে মে মাসে। ছবির মুক্তি এই বছরের ডিসেম্বরে।

ছবির পোস্টার নজরে আসার পর এক অনুরাগী লিখেছেন, ”প্রেমের ছবিতে যে ইনোসেন্স লাগে, তা ভরপুর আছে দিব্য-দিব্যাণীর চোখে-মুখে, আর কী চাই?”