AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ঋষি কাপুরের সঙ্গে ছিল দূরত্ব! বাবা হওয়ার পর মেয়েকে নিয়ে কেন অতি সাবধানী রণবীর?

মেয়ে রাহাকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রণবীরের গলায় স্পষ্ট আবেগ প্রকাশ পায়। অভিনেতা জানান, নিজের শৈশবে যে দূরত্বটা তিনি অনুভব করেছেন, সেটা কোনওভাবেই মেয়ের জীবনে ঢুকতে দিতে চান না। রণবীর চান, রাহার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক হোক সহজ, স্বচ্ছ আর ভয়হীন।

ঋষি কাপুরের সঙ্গে ছিল দূরত্ব! বাবা হওয়ার পর মেয়েকে নিয়ে কেন অতি সাবধানী রণবীর?
| Updated on: Feb 10, 2026 | 5:22 PM
Share

তারকাদের জীবন বাইরে থেকে যতটা ঝলমলে মনে হয়, অনেক সময় অন্দরমহলের গল্প হয় আলাদা। সম্প্রতি ঠিক তেমনই এক ব্যক্তিগত অধ্যায় তুলে ধরলেন রণবীর কাপুর। তাঁর বাবা, প্রয়াত অভিনেতা ঋষি কাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।

রণবীর নিজেই জানালেন, বাবার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের মাঝে ছিল অনেকখানি দুরত্ব। একসঙ্গে সময় কাটানো, মনের কথা ভাগ করে নেওয়া এই জায়গাগুলোয় একটা অদ্ভুত ফাঁক থেকে গিয়েছিল। তিনি বলছেন, সম্পর্কের মাঝখানে যেন একটা কাচের দেওয়াল ছিল। দেখা যেত, কথা হত, কিন্তু অনুভূতিগুলো প্রকাশ করায় যেন কোথাও বাধা ছিল।

যদিও এই দূরত্বের জন্য রণবীর কোনও অভিযোগ রাখেন না। বরং তিনি বোঝেন, এটা ছিল তাঁদের প্রজন্মের বাস্তবতা। সেই সময়ের বাবারা দায়িত্বে বিশ্বাসী ছিলেন, আবেগে নয়। সন্তানকে ভালোবাসতেন, কিন্তু সেটা প্রকাশ করার ভাষা তাঁদের জানা ছিল না। তবে ছেলে হিসেবে তিনি যা যা পাননি, সেই সব যেন তাঁর মেয়ে রাহা পায় সর্বত ভাবে সেই চেষ্টা করছেন তিনি।

মেয়ে রাহাকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রণবীরের গলায় স্পষ্ট আবেগ প্রকাশ পায়। অভিনেতা জানান, নিজের শৈশবে যে দূরত্বটা তিনি অনুভব করেছেন, সেটা কোনওভাবেই মেয়ের জীবনে ঢুকতে দিতে চান না। রণবীর চান, রাহার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক হোক সহজ, স্বচ্ছ আর ভয়হীন।

তিনি চান, রাহা যেন বাবার কাছে আসতে ভয় না পায়। কোনও কথা লুকোতে না হয়। বাবা যেন শুধু অভিভাবক না হয়ে একজন ভরসার মানুষ, একজন বন্ধু হন। যেখানে ভুল করলে শুধুই শাসন নয়, আগে বোঝার চেষ্টা থাকবে।

নিখুঁত কেউ হতে পারেন না বলে বিশ্বাস রণবীরের। তবু তিনি চেষ্টা করতে চান। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তৈরি হওয়া সেই অদৃশ্য দেওয়ালটা ভেঙে দিতে চান যাতে রাহার জীবনে বাবা মানেই ভয় না থাকে। বাবা হিসেবে মেয়ের সবচেয়ে ভালো বন্ধু হতে চান অভিনেতা। যদিও এখনই তাদের বাবা মেয়ের বন্ধুত্ব যে বেশ জমে উঠেছে সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই বোঝা যায়। আর তার ইঙ্গিত মিলেছে অভিনেতার কথাতেও।