Sushant-Rhea: ‘আপনি রিয়া চক্রবর্তীর বাবা, তাই…’ সুশান্তের মৃত্যুর পর কী ঘটে অভিনেত্রীর বাবার সঙ্গে?
Bollywood news: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর কীভাবে তাঁর পরিবারের ওপর প্রভাব পড়েছিল, এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন রিয়া চক্রবর্তী। জানালেন, শুধুমাত্র তাঁর বাবা হওয়ার কারণে একটি বড় চাকরি হাতছাড়া হয় তাঁর বাবার।

রিয়া চক্রবর্তী (Rhea Chakraborty) নামটা শুনলেই ২০২০ সালের সেই উত্তাল সময়ের কথা মনে পড়ে যায়। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর রীতিমতো ঝড় বয়ে গিয়েছে তাঁর জীবনে। কিন্তু সেই ঝড়ের প্রভাব যে শুধু তাঁর ওপর নয়, তাঁর পরিবারের ওপরও মারাত্মকভাবে পড়েছিল, সে কথাই এবার ফাঁস করলেন অভিনেত্রী। জানালেন, কীভাবে শুধুমাত্র পরিচয়ের কারণে তাঁর বাবাকে একটি বড় চাকরি হারাতে হয়েছিল।
সম্প্রতি ফারাহ খানের ইউটিউব ব্লগে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন রিয়া। সেখানে রান্না এবং ফারাহ খানের সঙ্গে আড্ডার ফাঁকেই উঠে আসে তাঁর জীবনের পুরনো নানা কথা। রিয়া জানান, তাঁর বাবা শহরের একটি বড় হাসপাতালে মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে একটি খুব ভালো চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখনই তাঁর পদবি এবং পরিচয় জানতে পারে, তখন আর কোনও কথা না শুনেই তারা চাকরিটি বাতিল করে দেয়। রিয়ার কথায়, “তারা বাবাকে বলে, আপনি রিয়া চক্রবর্তীর বাবা, তাই এখানে কাজ করতে পারবেন না।” এই ঘটনা তাঁর পরিবারের জন্য বেশ কষ্টকর ছিল।
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর রিয়া এবং তাঁর ভাই শৌভিককে মাদক মামলায় গ্রেফতার করেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)। সেই সময় তাঁকে জেলেও থাকতে হয়েছিল। সামাজিকভাবেও তাঁদের একঘরে করে দেওয়া হয়। তবে সম্প্রতি সিবিআই-এর (CBI) ক্লোজার রিপোর্ট অনুযায়ী তিনি নির্দোষ প্রমানিত হয়েছেন, অর্থাৎ সব অভিযোগ থেকে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক অবসাদ বা পিটিএসডি (PTSD)-এর মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি কখনও ভাবেননি যে জীবন আবার আগের মতো হবে। তবে এখন সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে তিনি অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।
বর্তমানে রিয়াকে ‘দ্য ট্রেটরস’-এর দ্বিতীয় সিজনে দেখা যাচ্ছে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তিনি খেলায় ‘নির্দোষ’ নাকি ‘বিশ্বাসঘাতক’ হতে চান। রিয়ার স্পষ্ট জবাব ছিল, তিনি নির্দোষই থাকতে চান। তাঁর কথায়, “এই বছরই মানুষ জেনেছে যে আমি নির্দোষ। অনেক বছর ধরে আমাকে সন্দেহের চোখে দেখা হয়েছে, তাই আর ওই বিষয়টি আমার একেবারেই পছন্দ নয়। অনেক বছর এই সন্দেহ সহ্য করেছি।”
