‘এই বিয়ে অগ্নিকে সাক্ষী রেখে হয়েছে’, মুখ খুললেন হিরণের ‘দ্বিতীয় বউ’ হৃতিকা
বিয়ের পর প্রথমবার মুখ খুললেন হিরণের দ্বিতীয় স্ত্রী। ২০ জানুয়ারি প্রথমবার হিরণ-হৃতিকার বিয়ের ছবি ভেসে ওঠে। প্রায় এক দিন পর হৃতিকা ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন, ''সব মিডিয়াকে বিনিত অনুরোধ, এই মুহূর্তে আমি কোনও রকমের ইন্টারভিউ দিতে পারছি না। এখন আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এবং শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। সম্প্রতি আমার একটা অপারেশন হয়েছে। ডাক্তার আমাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আমি প্রথম বউ (হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়) অনিন্দিতার যে বক্তব্যগুলো শুনেছি, তার কিছু বিষয় স্পষ্ট করা খুবই দরকার বলে মনে করি।

বিয়ের পর প্রথমবার মুখ খুললেন হিরণের দ্বিতীয় স্ত্রী। ২০ জানুয়ারি প্রথমবার হিরণ-হৃতিকার বিয়ের ছবি ভেসে ওঠে। প্রায় এক দিন পর হৃতিকা ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন, ”সব মিডিয়াকে বিনিত অনুরোধ, এই মুহূর্তে আমি কোনও রকমের ইন্টারভিউ দিতে পারছি না। এখন আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এবং শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। সম্প্রতি আমার একটা অপারেশন হয়েছে। ডাক্তার আমাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আমি প্রথম বউ (হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়) অনিন্দিতার যে বক্তব্যগুলো শুনেছি, তার কিছু বিষয় স্পষ্ট করা খুবই দরকার বলে মনে করি।
১. আমার বয়স সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। ২. ওঁকে ডিভোর্সের আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। ৩. এই বিয়ে আমরা অনেক আগেই করেছি। গত পাঁচ বছর ধরে আমরা একসঙ্গে আছি। এবং এই সব বিষয় অনিন্দিতা জানতো। আমার সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও পাবলিক ছিল। কোনও কিছুই লুকোনো ছিল না। তা হলে এত বছর তিনি কোথায় ছিলেন, কেন তখন কোনও প্রশ্ন তোলেননি? ৪. তিনি বলেছেন, সম্প্রতি একসঙ্গে থাকা হয়েছে মোটামুটি ছয় মাস। এটা পুরোপুরি ভুল। ছয় মাসের জন্য কোনওদিনই একসঙ্গে থাকেনি। হিরণ নিজের মেয়ের সঙ্গে ছিল ২০২৪-এর ৯ নভেম্বর থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুধুমাত্র কিছু ব্যক্তিগত কাজের জন্য। তার মধ্যে মেয়ের জন্মদিন পড়েছিল।”
হৃতিকা যোগ করেন, ”এই বিয়ে মানসিক সন্তুষ্টির জন্য অগ্নিকে সাক্ষী রেখে হয়েছে। বেনারসের মতো পবিত্র জায়গায়, গঙ্গা মায়ের সামনে, পবিত্র বিধিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এটা কোনও লাক্সারি বিয়ে ছিল না। শুধু মনের ভক্তি, বিশ্বাস এবং পবিত্রতা নিয়ে এই বিয়ে হয়েছে। যদি মনে হয় বেআইনি, তা হলে আমার একটাই কথা, ওঁকে আইনি পদক্ষেপ করতে বলুন।”
