Tere Naam and Rangeela Sequels: আসছে ‘তেরে নাম’ এবং ‘রঙ্গিলা’র সিকুয়েল, থাকছেন সলমন-উর্মিলা? বড় চমক বলিউডে
Tere Naam sequel: সলমন খানের তেরে নাম এবং উর্মিলা মাতন্ডকরের রঙ্গিলা ছবির সিক্যুয়েল আসতে চলেছে। ইরোস ইন্টারন্যাশনালের এই মেগা ঘোষণায় রয়েছে তনু ওয়েডস মনু সহ মোট ৬টি ছবির নাম। থাকছেন সলমন-উর্মিলা?

বলিউড সুপারস্টার সলমন খান (Salman Khan)-এর ‘রাধে’ চরিত্রটিকে কি ভোলা সম্ভব? কিংবা ‘রঙ্গিলা’ ছবিতে উর্মিলা মাতন্ডকর (Urmila Matondkar)-এর সেই অভিনয়? নব্বই বা দুই দশকের শুরুর দিকের সেই ম্যাজিক এবার নতুন মোড়কে বড়পর্দায় ফিরতে চলেছে। বিনোদন সংস্থা ‘ইরোস ইন্টারন্যাশনাল’-এর শাখা ‘ইরোস ইনোভেশন’ এক ধাক্কায় ৬টি ব্লকবাস্টার ছবির সিক্যুয়েল বা ফ্র্যাঞ্চাইজি তৈরির মেগা প্ল্যান ঘোষণা করেছে। লন্ডনে আয়োজিত ‘লন্ডন টেক উইক’-এর মঞ্চে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই সিনেপাড়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তালিকায় ‘তেরে নাম’ এবং ‘রঙ্গিলা’র মতো আইকনিক সিনেমা থাকায় অনুরাগীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।
তবে এই মহা-খবরের সঙ্গেই লুকিয়ে রয়েছে একটি বড় খটকা। নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি বা ‘ইরোস ইউনিভার্স’-এর নিয়ম মেনে এই ছবিগুলির গল্প এগোবে সম্পূর্ণ নতুন চরিত্র ও ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। এর অর্থ হল, ২০০৩ সালের ব্লকবাস্টার ‘তেরে নাম’-এর সিক্যুয়েল তৈরি হলেও সেখানে রাধে রূপে সলমন খানের ফেরার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। একইভাবে, ১৯৯৫ সালে রামগোপাল বর্মার পরিচালনায় ঝড় তোলা ‘রঙ্গিলা’র সিক্যুয়েলেও আমির খান কিংবা উর্মিলা মাতন্ডকরকে দেখার আশা ক্ষীণ। ফলে প্রিয় তারকাদের স্ক্রিনে দেখার স্বপ্ন অধরাই থেকে যেতে পারে দর্শকদের।
শুধু এই দুটি ছবিই নয়, ইরোসের এই মেগা তালিকায় রয়েছে আরও একঝাঁক জনপ্রিয় সিনেমা। কঙ্গনা রানাওয়াত এবং আর মাধবনের তুমুল জনপ্রিয় ‘তনু ওয়েডস মনু’ ফিরছে ‘তনু ওয়েডস মনু – দ্য নেক্সট চ্যাপ্টার’ নামে। এই ছবিটির পরিচালনায় থাকছেন ‘হীরামাণ্ডি’ খ্যাত মিতাক্ষরা কুমার এবং যৌথ প্রযোজনায় রয়েছে রুদ্রক সোমা জ্যোতি লিমিটেড। ২০২৬ সালেই এই ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি শ্রীদেবীর ‘ইংলিশ ভিংলিশ’, অক্ষয়-জনের ‘দেশি বয়েজ’ এবং রাধিকা আপ্তেবর সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘ফোবিয়া’র সিক্যুয়েলও আসতে চলেছে। সংস্থা জানিয়েছে, এই গল্পগুলি শুধু সিনেমাতেই আটকে থাকবে না; অ্যানিমেশন, মাইক্রো-ড্রামা এবং বিশেষ চরিত্র-ভিত্তিক কনটেন্টের মাধ্যমে ডিজিটাল অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
এখানেই শেষ নয়, ইরোস আরও দুটি বড় প্রজেক্টের ঘোষণা করেছে। একটি হল ভারতীয় পুরাণ ও লোকগাথা নিয়ে তৈরি এআই-ভিত্তিক সিনেমাটিক ইউনিভার্স ‘ইরোস ব্রহ্মাণ্ড’, যার অধীনে ‘মহাভারত ৫০০০ এডি’ ও ‘দ্বীপেক্ষা’-র মতো ৯টি অরিজিনাল প্রজেক্ট থাকবে। অন্যটি হল ‘ইরোস রিমাস্টার্ড’, যার প্রথম কাজ হিসেবে রজনীকান্তের ‘কোচাদাইয়ান’ ছবিটিকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে ও আধুনিক প্রযুক্তিতে ফিরিয়ে আনবেন সৌন্দর্য রজনীকান্ত। সব মিলিয়ে, বলিউডের নস্টালজিয়াকে পুঁজি করে এক নতুন ব্যবসায়িক ও বিনোদনমূলক অধ্যায় শুরু হতে চলেছে, যা দর্শকদের নস্টালজিক করার পাশাপাশি আধুনিক ডিজিটাল যুগের স্বাদও দেবে।
