AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

মুসলিম বাবার পদবি কেন ব্যবহার করেন না তাবু? কঠোর সত্য সামনে আনলেন অভিনেত্রী

কিন্তু তিনি কোনোদিন তাঁর বাবার পদবি ‘হাসমি’ ব্যবহার করেননি। এর কারণ হিসেবে অভিনেত্রী বলেন, "আমি কোনোদিন বাবার পদবি ব্যবহারের প্রয়োজন বোধ করিনি। স্কুলে আমার পদবি ছিল ফাতিমা। আসলে বাবার কোনও স্মৃতিই আমার কাছে নেই। আমার দিদি ( অভিনেত্রী ফারহা) মাঝে মাঝে তাঁর সঙ্গে দেখা করলেও, আমার কোনওদিন তাঁকে দেখার কৌতূহল হয়নি।

মুসলিম বাবার পদবি কেন ব্যবহার করেন না তাবু? কঠোর সত্য সামনে আনলেন অভিনেত্রী
| Updated on: Feb 04, 2026 | 3:51 PM
Share

মাত্র তিন বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদ দেখেছিলেন তাবু। তারপর থেকেই বাবার সঙ্গে তাঁর দূরত্ব। আজ বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী হয়েও সেই দূরত্ব এক ইঞ্চিও কমেনি। সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া এক পুরনো সাক্ষাৎকারে তাবু জানিয়েছিলেন, হায়দরাবাদে তাঁর মামাবাড়িতেই শৈশব কেটেছে। মা ছিলেন শিক্ষিকা, তাই দিনের অনেকটা সময় দিদিমার কাছেই কাটত তাঁর।

তাবুর আসল নাম তাবাসসুম ফাতিমা হাসমি। কিন্তু তিনি কোনোদিন তাঁর বাবার পদবি ‘হাসমি’ ব্যবহার করেননি। এর কারণ হিসেবে অভিনেত্রী বলেন, “আমি কোনোদিন বাবার পদবি ব্যবহারের প্রয়োজন বোধ করিনি। স্কুলে আমার পদবি ছিল ফাতিমা। আসলে বাবার কোনও স্মৃতিই আমার কাছে নেই। আমার দিদি ( অভিনেত্রী ফারহা) মাঝে মাঝে তাঁর সঙ্গে দেখা করলেও, আমার কোনওদিন তাঁকে দেখার কৌতূহল হয়নি। আমি যেভাবে বড় হয়েছি, তাতে আমি খুশি।” এখানে উল্লেখ্য, তাবুর বাবা পরে আবার বিয়ে করেন এবং তাঁর দ্বিতীয় পক্ষে দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।

শাবানা আজমির আত্মীয় এবং আশির দশকের অভিনেত্রী ফারহার বোন হওয়া সত্ত্বেও তাবু প্রথম জীবনে ছিলেন ভীষণ লাজুক। তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলায় তাঁর কোনও ‘ভয়েস’ বা নিজস্ব মত প্রকাশের সাহস ছিল না। এমনকি অভিনেত্রী হওয়ার বেশ কিছু বছর পর পর্যন্ত তিনি ভীষণ অন্তর্মুখী ছিলেন। দিদিমার বই পড়া আর প্রার্থনার পরিবেশই তাঁর চরিত্রে গভীরতা এনে দিয়েছে। তাবুর বিয়ে নিয়ে বলিপাড়ায় কৌতূহলের শেষ নেই। তবে সমাজ বা মানুষের কথায় কান দিতে নারাজ তিনি। ২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, “সিঙ্গেল থাকাটা আমার কাছে কোনো বড় বিষয় নয়। আমি কাউকে তাঁর বৈবাহিক অবস্থা বা সন্তান আছে কি না, তা দিয়ে বিচার করি না। আমার ক্ষেত্রেও যদি কেউ সেটা করে, আমি তা নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না।”

পেশাদার জীবনে তাবু এখন দারুণ ব্যস্ত। এবছরই তাঁকে দেখা যাবে পুরী জগন্নাথের প্যান-ইন্ডিয়া প্রজেক্টে বিজয় সেতুপতির বিপরীতে। এছাড়া অক্ষয় কুমারের সঙ্গে প্রিয়দর্শনের বহুপ্রতীক্ষিত হরর-কমেডি ‘ভূত বাংলা’তেও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনের নিঃসঙ্গতাকে শক্তি বানিয়ে তাবু প্রমাণ করেছেন, একজন নারী চাইলে নিজের পরিচয়েই মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেন।