Delhi CM House: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে উৎসব, চুটিয়ে আনন্দ করছেন কাকলি-শতাব্দী-রচনা
Teej festival delhi cm house Kakoli Shatabdi Rachana Kangana: এই উদযাপনেই আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেন বাংলার রাজনীতির পরিচিত তিন মুখ— কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় ও রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক সমীকরণের জটিলতা দূরে সরিয়ে রেখে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে হাতে মেহেন্দি পরতে এবং হাসিমুখে সেলফি তুলতে দেখা গেল এই তিন সাংসদকে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তর বাসভবনজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। রকমারি ফুলের সাজ, এলাহি খাবারের আয়োজন এবং নাচ-গানের মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরে উদযাপিত হল ঐতিহ্যবাহী ‘তিজ’ (Teej) উৎসব। আর এই উদযাপনেই আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠলেন বাংলার রাজনীতির পরিচিত তিন মুখ— কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় ও রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক সমীকরণের জটিলতা দূরে সরিয়ে রেখে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে হাতে মেহেন্দি পরতে এবং হাসিমুখে সেলফি তুলতে দেখা গেল এই তিন সাংসদকে।
কাকলি-শতাব্দী-রচনার এই উপস্থিতি রাজনৈতিক অলিন্দে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বেশ কিছুদিন ধরেই বিক্ষুব্ধ হিসেবে পরিচিত এই তিন সাংসদ। তাঁরা এনডিএ-কে সমর্থন জানিয়েছেন এবং নতুন দল এনসিপিআই (NCPI)-এর দিকে ঝুঁকেছেন বলে চর্চা হলেও, লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে তা এখনও চূড়ান্ত মান্যতা পায়নি। ফলে লোকসভা টিভির সম্প্রচারে তাঁদের নামের পাশে এখনও ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা দেখা যায়। তবে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে একাধিক বৈঠক এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেও দেখা গিয়েছে তাঁদের। সেই প্রেক্ষাপটেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির উৎসবে তাঁদের এই হাসিখুশি অংশগ্রহণ রাজনৈতিক ইঙ্গিতকেই আরও স্পষ্ট করছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।
তবে শুধুই রচনা, শতাব্দী ও কাকলি নয়। এই আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের আনন্দমুখর পরিবেশের বেশ কয়েকটি ছবি কঙ্গনা নিজেই তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন, যা মুহূর্তে নজর কেড়েছে নেটপাড়ার।
View this post on Instagram
কী এই ‘তিজ’ উৎসব?
উত্তর ও পশ্চিম ভারতের সংস্কৃতিতে ‘তিজ’ অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিশেষ একটি সামাজিক-ধর্মীয় উৎসব। মূলত বর্ষাকালে (শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে) প্রকৃতির নতুন রূপ এবং পারিবারিক বন্ধনকে উদযাপন করতে এই উৎসব পালিত হয়।
হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, দীর্ঘ ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কঠোর তপস্যার পর এই দিনটিতেই দেবী পার্বতীকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন ভগবান শিব। তাই মহাদেব ও দেবী পার্বতীর পুনর্মিলনের স্মারক হিসেবে এই দিনটি উদযাপিত হয়। বিবাহিত নারীরা স্বামীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সংসারের মঙ্গল কামনায় তিজের ব্রত রাখেন। অনেক ক্ষেত্রে অবিবাহিত মেয়েরাও ভালো জীবনসঙ্গী পাওয়ার আশায় এই পুজো করেন।
