কোন গোপন চিঠি নিয়ে চর্চা টলিপাড়ায়?
বিধানসভা নির্বাচনের আগে কে-কে প্রার্থী হবেন টলিপাড়া থেকে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। এরই মধ্যে একটা চিঠি ঘিরে বিস্তর আলোচনা। প্রশাসনের কাছে সেই চিঠি গিয়েছে টলিপাড়ার হাতেগোনা নামী প্রযোজক এবং পরিচালকের তরফে। টলিপাড়ায় টেকনিশিয়ানদের ফেডারেশনের সভাপতির পদে যিনি রয়েছেন, তাঁর একটা রাজনৈতিক পরিচয়ও রয়েছে। তবে বিধায়ক বা সাংসদ হিসাবে সাম্প্রতিক সময়ে ভোটে লড়তে দেখা যায়নি তাঁকে।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে কে-কে প্রার্থী হবেন টলিপাড়া থেকে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। এরই মধ্যে একটা চিঠি ঘিরে বিস্তর আলোচনা। প্রশাসনের কাছে সেই চিঠি গিয়েছে টলিপাড়ার হাতেগোনা নামী প্রযোজক এবং পরিচালকের তরফে। টলিপাড়ায় টেকনিশিয়ানদের ফেডারেশনের সভাপতির পদে যিনি রয়েছেন, তাঁর একটা রাজনৈতিক পরিচয়ও রয়েছে। তবে বিধায়ক বা সাংসদ হিসাবে সাম্প্রতিক সময়ে ভোটে লড়তে দেখা যায়নি তাঁকে।
টলিপাড়ায় চর্চা হলো, বাংলা ছবির দুনিয়ার সুবিধা-অসুবিধা বোঝার জন্য একজন বিধায়কের সরাসরি হস্তক্ষেপ থাকলে সুবিধা হতে পারে, এমনটা মনে করে কয়েকজন নামী প্রযোজক-পরিচালক একটা চিঠি দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হলে, সুবিধা হতে পারে।
এই চিঠি নিয়ে বিস্তর আলোচনা শুরু হয়েছে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে। এক ব্যক্তির বক্তব্য, ”এভাবে টলিউডকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন কোথায়? শিল্পীদের ফোরামে সব শিবিরের লোকজন রয়েছেন। টলিউডের সমস্যা, একটা নিরপেক্ষ কমিটিই নিয়ে যেতে পারে প্রশাসনের কাছে। তা হলে এমন আবেদন কেন?” আবার একজনের বক্তব্য, ”টলিপাড়ায় তিলকে তাল করার অভ্যাস রয়েছে। হয়তো একটা সামান্য আলোচনা থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে।”
টলিপাড়ার নামী প্রযোজক এই চিঠিতে সই করেছেন বলে খবর। বিষয়টার সত্যতা জানতে TV9 বাংলার তরফে তাঁকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি উত্তর দেননি। তাঁর চুপ থাকাটাই বুঝিয়ে দিচ্ছে, জনসমক্ষে না এনেও, একটা চিঠির মাধ্যমে কিছু একটা করার প্রয়াস শুরু হতেই পারে টলিপাড়ায়। তা-ও বিধানসভা ভোটের ঠিক মুখে। এই চিঠির খবর জানাজানি হওয়ার পর, টলিপাড়া আবার দুই লবিতে ভাগ হয়ে যেতে পারে, এমনও শোনা যাচ্ছে।
