‘প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেই কলকাতা থেকেও বাঁকুড়ার মানুষের পাশে দাঁড়ান সহজ হল’

কীভাবে মিলবে এই পরিষেবা? সায়ন্তিকা জানালেন, কলকাতার মতো শহরাঞ্চলে যেমন অক্সিজেনের অপ্রতুলতা, বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামেও রয়েছে এমন সমস্যা।

'প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলেই কলকাতা থেকেও বাঁকুড়ার মানুষের পাশে দাঁড়ান সহজ হল'
সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া থেকে জয়লাভ করতে পারেননি তিনি। তবু হেরে গিয়েও কাজ অব্যাহত। এ বার কলকাতায় বসেই বাঁকুড়াবাসীদের জন্য দুয়ারে অক্সিজেন, খাবার এবং সেফ হোমের ব্যবস্থা করলেন তিনি। প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে রয়েছেন বলেই তা কিছুটা হলেও সহজ হয়েছে বলে মনে করছেন অভিনেত্রী-তৃণমূল নেত্রী।

কীভাবে মিলবে এই পরিষেবা? সায়ন্তিকা জানালেন, কলকাতার মতো শহরাঞ্চলে যেমন অক্সিজেনের অপ্রতুলতা, বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামেও রয়েছে এমন সমস্যা। সে জন্য এ বার থেকে সায়ন্তিকার দেওয়া চার হেল্পলাইনে ফোন করলেই অ্যাম্বুলেন্সে করে ভ্রাম্যমাণ অক্সিজেন গাড়ি পৌঁছে যাবে একেবারে কোভিড আক্রান্তর বাড়িতে।


তবে এই পরিষেবা পেতে গেলেই অবশ্যই রুগীকে করোনা রিপোর্ট এবং একই সঙ্গে অক্সিজেনের মাত্রাও জানাতে হবে। এ ছাড়াও কোভিড আক্রান্তরা যারা বাড়িতে খাবার রান্না করতে অপারক তাঁদের জন্য রয়েছে দুপুর-রাত্রে বিনামূল্যে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও। এ ছাড়াও বাঁকুড়া স্টেডিয়ামেও করোনা আক্রান্তদের জন্য বানানো হচ্ছে সেফ হোম।

আরও পড়ুন- ‘ন্যুড ভিডিয়ো’ বিতর্কে মুখ খুললেন রাধিকা আপ্তে

ভোটে তিনি জিততে পারেননি। কিন্তু মানুষের পাশে থাকার বার্তা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। মানুষের পাশে এই থাকার পেছনে ভোট-রাজনীতি যুক্ত হওয়া বা পরাজিত হওয়া কি খুব প্রভাব ফেলল? সায়ন্তিকার কথায়, “আমার বাবার করোনা হয়েছে। সে জন্য আমি বাড়িতে। অথচ দেখুন বাড়িতে থেকেও আমি কিন্তু বাঁকুড়ায় কাজগুলো করে যাচ্ছি। যেমনটা ঠিক ওয়ার্ক ফ্রম হোমে হয়। আমাদের পেশায় তো ওয়ার্ক ফ্রম হয় না। এই প্রথম এরকম অভিজ্ঞতা। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কোথাও গিয়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে সুবিধে তো হয়েছেই।” বাবা করোনামুক্ত হলেই শীঘ্রই বাঁকুড়া যেতে চান অভিনেত্রী।

 

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla