AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

প্রতীক উর সিপিএম ছাড়তেই মাও-নেপালের নাম টানলেন ঊষসী চক্রবর্তী

রাজ‍্য ও জেলা নেতৃত্বের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের ফলে তিনি সিপিএম থেকে পদত্যাগ করেছেন দলকে লিখিত জানিয়েছেন প্রতীক-উর। আর প্রতীক-উর রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঠিক এরই মাঝে ফেসবুকে লম্বা পোস্ট অভিনেত্রী, সিপিএম সমর্থক তথা শ্যামল চক্রবর্তী কন্য়া ঊষসী চক্রবর্তীর। স

প্রতীক উর সিপিএম ছাড়তেই মাও-নেপালের নাম টানলেন ঊষসী চক্রবর্তী
| Updated on: Feb 16, 2026 | 3:26 PM
Share

বাংলায় যে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন, তা মোটামুটি রাজ্য় রাজনীতি সরগরম পরিস্থিতি দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায়। প্রতি মুহূর্তেই রাজ্য রাজনীতির অন্দর থেকে প্রকাশ্যে আসছে, নানা নতুন চিত্র। এই যেমন, সোমবার আচমকাই রাজ্যের বাম শিবির সরগরম। আর নেপথ্যে রয়েছেন প্রতীক উর রহমান। সোমবার সিপিএমের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক উর রহমান। প্রাথমিক সদস‍্যপদও ছেড়েছেন তিনি। দলকে পদত‍্যাগপত্র পাঠিয়েছেন প্রাক্তন SFI-এর রাজ‍্য সভাপতি। রাজ‍্য ও জেলা নেতৃত্বের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের ফলে তিনি সিপিএম থেকে পদত্যাগ করেছেন দলকে লিখিত জানিয়েছেন প্রতীক-উর। আর প্রতীক-উর রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঠিক এরই মাঝে ফেসবুকে লম্বা পোস্ট অভিনেত্রী, সিপিএম সমর্থক তথা শ্যামল চক্রবর্তী কন্য়া ঊষসী চক্রবর্তীর। সরাসরি প্রতীর উর রহমানের নাম নাম নিলেও, সিপিএমের ছাড়া নিয়ে মাও এবং নেপাল দেব ভট্টাচার্যের প্রসঙ্গ টেনে আনলেন তিনি।

তা কী লিখলেন ঊষসী?

ঊষসীর রাজনীতির পাঠ শুরু হয়েছিল নিজের বাড়ি থেকেই। শ্যামল চক্রবর্তীর কন্যা হিসেবে বামপন্থী ঘরানাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। তবে তাঁর পরিচয় কেবল নেতার মেয়ে হিসেবে নয়। জেএনইউ (JNU)-এর প্রাক্তনী এবং সমাজতত্ত্বে পিএইচডি (PhD) করা ঊষসী তাত্ত্বিক দিক থেকেও বামপন্থার গভীর অনুরাগী। সেই ঊষসী ফেসবুকে লিখলেন, ”অনেক দিন আগে নেপাল দা ( নেপাল দেব ভট্টাচার্য) পার্টি থেকে এক্সপেল্ড হয়ে নাকি বলেছিলেন “ বাবা ছেলে কে ত্যাজ্য করলে ই বা ছেলে কি বাবা কে ত্যাজ্য করে? জাস্ট মনে পড়ে গেল । শুনেছি স্বয়ং মাও সেতুং বহুবার চীনা কমিউনিস্ট পার্টি থেকে এক্সপেল্ড হয়ে গেছিলেন । আর প্রতিবারই এক্সপেল্ড অবস্থায় পার্টির মিছিলের শেষে ওনাকে হাঁটতে দেখা গেছিল । আর বাবা কর্ণকুন্তী সংবাদ পড়াতে পড়াতে শিখিয়েছিলেন – “জয়লোভে জয়লোভে রাজ্যলোভে অয়ি । বীরের সদগতি থেকে ভ্রষ্ট নাহি হই।” রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত উক্তি না ভুলে যেতে! আমদের মত কিছূ বোকা লোকের কাছে জয় পরাজয় এর থেকে মেরুদন্ড সোজা রাখা টা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এখনও । আমরা যাদেরকে অ্যাসেট ভাবি আশা করব তাঁদের কাছেও ।