AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kolkata Municipality: ‘মীনা দেবীকে শ্মশানে নিয়ে যেতে হবে’, পিছনে বসে দুম করে বললেন TMC কাউন্সিলর, তুমুল উত্তপ্ত পুরসভা

সোমবার পুরসভায় বাজেট অধিবেশন চলছিল। সিরিটি শ্মশান নিয়ে জবাবি ভাষণ দিচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় বিজেপির প্রবীণ মহিলা কাউন্সিলর মীনা দেবী পুরহিত অভিযোগ করেন, শ্মশানের আশপাশে পার্কিং নিয়ে সমস্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই বাদানুবাদের মধ্যেই তৃণমূলের অপর কাউন্সিলর মহেশ শর্মা মন্তব্য করে বসেন। মহেশ বসেছিলেন মীনা দেবীর পিছনেই।

Kolkata Municipality: 'মীনা দেবীকে শ্মশানে নিয়ে যেতে হবে', পিছনে বসে দুম করে বললেন TMC কাউন্সিলর, তুমুল উত্তপ্ত পুরসভা
বাঁদিকে মীনা দেবী পুরহিত ডানদিকে মহেশ শর্মাImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 16, 2026 | 4:01 PM
Share

কলকাতা: বাজেট অধিবেশনের সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা পুরসভা। তৃণমূল কাউন্সিলর তারক সিং বক্তব্য রাখছিলেন। সেই সময় বিজেপি কাউন্সিলর মীনা দেবী পুরহিতের উদ্দেশ্যে পিছনে বসে থাকা অপর তৃণমূল কাউন্সিলর মহেশ শর্মার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। এরপরই তপ্ত হয়ে ওঠে পুরসভার অন্দর।

ঠিক কী ঘটেছিল?

সোমবার পুরসভায় বাজেট অধিবেশন চলছিল। সিরিটি শ্মশান নিয়ে জবাবি ভাষণ দিচ্ছিলেন কাউন্সিলর তারক সিং। সেই সময় বিজেপির প্রবীণ মহিলা কাউন্সিলর মীনা দেবী পুরহিত অভিযোগ করেন, শ্মশানের আশপাশে পার্কিং নিয়ে সমস্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই বাদানুবাদের মধ্যেই তৃণমূলের অপর কাউন্সিলর মহেশ শর্মা মন্তব্য করে বসেন। মহেশ বসেছিলেন মীনা দেবীর পিছনেই। তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন,”মীনা দেবী পুরহিতকেও এক্ষুনি শ্মশানে পাঠানো উচিত।” বিরোধী দলের একজন কাউন্সিলর হলেও তাকে উদ্দেশ্যে করে এমন মন্তব্য করা যায় কি না সেই নিয়ে উঠতে থাকে প্রশ্ন। বিজেপি কাউন্সিলররা প্রতিবাদ করতে থাকেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। পরিষ্কার বলেন যে, এই বক্তব্যকে তিনি সমর্থন করছেন না। এই ধরনের মন্তব্য অসাংবিধানিক।

মীনা দেবী বলেন, “তৃণমূল কাউন্সিলর এই ধরনের কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন। আমি তো জিন্দা আছি (বেঁচে আছি)। আমি কি মরে গেছি? মৃত মানুষকে শ্মশানে পাঠায়। আমি তো বেঁচে আছি। উনি একবার জিতেছেন, আমি ছ’বার…। উনি একজন মহিলাকে অসম্মান করেছেন। ক্ষমা চাইতে হবে।” সজল ঘোষ বলেন, “ওঁর এই ধরনের ঔদ্ধত্য কোথা থেকে হয়? আমড়া গাছে আম হয় না। এটা অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয়।” আর যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই মহেশ শর্মা বলেন, “মিথ্যা পাবলিসিটি করছেন। আমি শ্মশানে যাওয়া নিয়ে বলিনি। বেনারসে কি সকলে মরতে যায়? আমি ওঁর মৃত্যু কামনা করিনি।