‘রাহুলের অকালপ্রয়াণ যেন…’, মৃত্যুর দশদিন পর কোন বড় কথা বলে দিলেন প্রিয়াঙ্কা
শুটিং করতে গিয়ে প্রয়াত হলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে এফআইআর করেছেন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। ৭ এপ্রিল টলিপাড়ায় একদিনের জন্য কর্মবিরতি হয়। সেদিন উপস্থিত ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তবে তাঁর মনের ভাব ব্যক্ত করেননি মিডিয়ার কাছে।

শুটিং করতে গিয়ে প্রয়াত হলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে এফআইআর করেছেন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। ৭ এপ্রিল টলিপাড়ায় একদিনের জন্য কর্মবিরতি হয়। সেদিন উপস্থিত ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। তবে তাঁর মনের ভাব ব্যক্ত করেননি মিডিয়ার কাছে।
এবার সমাজ মাধ্যমে প্রিয়াঙ্কা লিখলেন, ”ধন্যবাদ জানাই সকলকে, এই কঠিন সময়ে আমাদের পাশে থাকার জন্য। গত ৭ তারিখে গোটা চলচ্চিত্র পরিবার যেন এক সুরে বাঁধল নিজেদের—একই ভাবনা, একই চিন্তা আর অফুরন্ত ভালোবাসায়। এখানে কোনও বিভাজন নেই, কোনও রাজনৈতিক রং নেই; নেই কোনও ব্যক্তিগত স্বার্থ বা আমিত্বের সংঘাত। এখানে শুধু একটাই সত্য—আমরা একটি পরিবার। পরিবারেরই একজন সদস্যের প্রতি গভীর স্নেহ আর মমতা থেকেই আজকের এই ঐক্যবদ্ধ লড়াই। রাহুলকে কেউ অভিনেতা হিসেবে ভালোবেসেছেন, কেউ চেনেন অরুণোদয় হিসেবে, আবার কেউবা ভালোবেসেছেন লেখক রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একটি মৃত্যু আজ আমাদের গোটা পরিবারকে এক সুতোয় গেঁথে দিল। তবে এই অকাল প্রয়াণ যেন নিছক একটি শোকের স্মৃতি হয়ে না থাকে; এটি যেন আরও বড় কোনও পরিবর্তনের সূচনা করে। তবেই এই মানুষটি আমাদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন, এটাই হবে তার প্রকৃত উত্তরসূরি বা লেগাসি। আমাদের লক্ষ্য হোক একটাই—ভবিষ্যতে যেন এমন দুর্ঘটনা আর না ঘটে। টেকনিশিয়ান হন বা শিল্পী—মৃত্যুর পর নিজের সম্মান আর মর্যাদার লড়াই যেন কাউকে লড়তে না হয়।”
এই কঠিন সময়ে তালসারিতেও তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন প্রসেনজিত্ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত থেকে যিশু সেনগুপ্ত। প্রিয়াঙ্কা এবার কাজে ফিরুন, সেটাও চাইছেন তাঁর প্রিয়জনরা।
