Trinamool in Supreme Court: গণনার আগেই গণনা কর্মী নিয়ে হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও জোর ধাক্কা তৃণমূলের, বহাল কমিশনের নির্দেশ
Trinamool Moves Supreme Court: এদিন মামলার শুরুতেই আইনজীবী কপিল সিব্বল চারটি বিষয় তুলে ধরেন। তারমধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না।

নয়া দিল্লি: হাইকোর্টে ধাক্কার পরেই গণনা কর্মীর ইস্যু নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল কংগ্রেস। এদিনই জরুরি ভিত্তিতে চলছে শুনানি। গণনায় কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কর্মীদের ব্যবহার? কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। কিন্তু কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। তারপরই সোজা সুপ্রিম কোর্টে যায় তৃণমূল। সেই মামলাতেই তৈরি হয়েছে বিশেষ বেঞ্চ। শুনবেন বিচারপতি পিএস নরসিংহ ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি।
এদিন মামলার শুরুতেই আইনজীবী কপিল সিব্বল চারটি বিষয় তুলে ধরেন। তারমধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না। পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন। অপশন যখন আছে তখন আমরা কিভাবে বলি যে এই পদক্ষেপ নির্দেশিকা বিরোধী? এমনকি সার্কুলার অনুযায়ী দুজনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে পারে।
যদিও সিব্বলের দাবি, সার্কুলার অন্য কথা বলছে। এ কথা শুনে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী আরও বলেন, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী নয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী। যদি তারা একটা পুল থেকে নেয় তাহলে কখনওই অন্যায় নয়। অন্তত একজনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে হবে। পাল্টা সিব্বল বলেন, অর্থাৎ একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারি হতে হবে। জয়মাল্য বাগচী বলেন, কেন্দ্র হোক বা রাজ্য দুজনেই সরকারি কর্মচারী হতে হবে। কিন্তু সমানুপাতিক কিছু বলা হয়নি। অন্যদিকে কমিশনের আইনজীবি ডি এস নাইডু বলেন, রিটার্নিং অফিসার এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অফিসার। তিনি রাজ্য সরকারের কর্মচারী। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকবে। স্বাভাবিকভাবেই এদের আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক। সমস্ত সওয়াল জবাব শেষে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। কমিশন ১৩ এপ্রিল যে নির্দেশ দিয়েছে সেই নির্দেশ বহাল থাকবে। খারিজ তৃণমূল কংগ্রেসের আবেদন।
