AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘ধুরন্ধর’ ছবিতে অভিনয়ে কেন রাজি ছিলেন না সঞ্জয় দত্ত-অক্ষয় খান্নারা? ফাঁস তথ্য

আদিত্য ধর যখন 'ধুরন্ধর'-এর পরিকল্পনা করেন, তখন থেকেই মুকেশ ছাবড়া চেয়েছিলেন একঝাঁক তারকাকে এক ফ্রেমে আনতে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় অভিনেতাদের স্ক্রিন টাইম নিয়ে দুশ্চিন্তা। মুকেশ ছাবড়া জানান, অক্ষয় খান্না, অর্জুন রামপাল এবং সঞ্জয় দত্তের মতো পোড়খাওয়া অভিনেতারা শুরুতে যথেষ্ট দ্বিধায় ছিলেন।

'ধুরন্ধর' ছবিতে অভিনয়ে কেন রাজি ছিলেন না সঞ্জয় দত্ত-অক্ষয় খান্নারা? ফাঁস তথ্য
| Updated on: Mar 29, 2026 | 6:29 PM
Share

রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর ২’ এখন বক্স অফিসে তুফান তুলছে। কিন্তু এই ছবির প্রথম ভাগের সাফল্যের নেপথ্যে যে কাস্টিংয়ের গল্প রয়েছে, তা জানলে অবাক হবেন। পর্দায় জমজমাট ছবি দেখে মনে হতে পারে, সব অভিনেতাই বোধহয় এক ডাকে রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। তবে আসল সত্যিটা কিন্তু একদম উল্টো। কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবড়া সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ছবির হেভিওয়েট তারকারা—অর্থাৎ সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খান্না কিংবা অর্জুন রামপালরা শুরুতে এই প্রজেক্টে যুক্তই হতেই চাননি! একমাত্র আর মাধবন ছিলেন ব্যতিক্রম।

চিত্রনাট্য শুনেই কেন পিছিয়ে গিয়েছিলেন তারকারা?

আদিত্য ধর যখন ‘ধুরন্ধর’-এর পরিকল্পনা করেন, তখন থেকেই মুকেশ ছাবড়া চেয়েছিলেন একঝাঁক তারকাকে এক ফ্রেমে আনতে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় অভিনেতাদের স্ক্রিন টাইম নিয়ে দুশ্চিন্তা। মুকেশ ছাবড়া জানান, অক্ষয় খান্না, অর্জুন রামপাল এবং সঞ্জয় দত্তের মতো পোড়খাওয়া অভিনেতারা শুরুতে যথেষ্ট দ্বিধায় ছিলেন। তাঁদের প্রধান সংশয় ছিল—এত বড় মাপের ছবিতে তাঁদের চরিত্রের গুরুত্ব ঠিক কতটা থাকবে? অর্থাৎ, কতক্ষণ তাঁদের পর্দায় দেখা যাবে, সেই অঙ্ক মেলাতেই ব্যস্ত ছিলেন তাঁরা।

যেখানে বাকিরা সাত-পাঁচ ভাবছিলেন, সেখানে আর মাধবন ছিলেন একদম আলাদা। মুকেশের কথায়, “একমাত্র মাধবনই ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি চিত্রনাট্য শোনামাত্রই রাজি হয়ে যান।” মজার বিষয় হল, ছবিতে মাধবন এবং অর্জুন রামপালের শুটিং শিডিউল ছিল মাত্র ১২ দিনের। কিন্তু ছবির শেষে দেখা গিয়েছে, স্ক্রিন টাইম কম হলেও তাঁদের চরিত্রের অভিঘাত বা ‘ইমপ্যাক্ট’ ছিল মারাত্মক। মুকেশ ও আদিত্য ধর তাঁদের এটাই বুঝিয়েছিলেন যে, কতক্ষণ পর্দায় থাকা হল সেটা বড় কথা নয়, চরিত্রের গভীরতা দর্শকদের মনে কতটা ছাপ ফেলছে সেটাই আসল।

শুরুতে কাস্টিং নিয়ে সমস্যা থাকলেও, এখন ফলাফল সবার সামনে। ২৮শে মার্চের হিসেব অনুযায়ী, রণবীর সিংয়ের এই স্পাই-থ্রিলার ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে মার্কিন মুলুকে ইতিহাস গড়তে চলেছে। ইতিমধ্যেই বক্স অফিসে ১২০০ কোটির গণ্ডি ছোঁয়ার অপেক্ষায় ছবিটি। ‘পুষ্পা ২’-এর মতো ব্লকবাস্টারকেও টেক্কা দিচ্ছে এই সিক্যুয়েল। ২৬/১১ থেকে শুরু করে আতিক আহমেদ হত্যাকাণ্ড—বাস্তব জীবনের একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে যেভাবে চিত্রনাট্যে বোনা হয়েছে, তা দর্শকদের হলমুখী করতে বাধ্য করছে।

Follow Us