Uric Acid: ওষুধ ছাড়াই কমবে ইউরিক অ্যাসিড, শুধু এই ৫ খাবার রোজ খেতে হবে
Foods for Gout: একবার রিপোর্টে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি এলেই ঢ্যাঁড়শ, মুসুর ডাল, টমেটো আগেই বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু ইউরিক অ্যাসিড বাড়লেই যে সব খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে, এমন কোনও নিয়ম নেই। নির্দিষ্ট কয়েকটি খাবার ছাড়া, সব খাবারই নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে খাওয়া যায়।

গোড়ালি ব্যথায় মেঝেতে পা ফেলতে পারছেন না। এমনকি পায়ের বুড়ো আঙুলেও অসহ্য ব্যথা। হাতের আঙুলও ভাঁজ করতে পারছেন না। ভাবছেন দেহে ক্যালশিয়ামের ঘাটতির জন্য এমনটা হচ্ছে। কিন্তু এটা দেহে পুষ্টির ঘাটতি নয়, ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ। ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের মতো ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যাও ঘরে ঘরে। আর একবার রিপোর্টে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি এলেই ঢ্যাঁড়শ, মুসুর ডাল, টমেটো আগেই বাদ দিয়ে দেন। কিন্তু ইউরিক অ্যাসিড বাড়লেই যে সব খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে, এমন কোনও নিয়ম নেই। নির্দিষ্ট কয়েকটি খাবার ছাড়া, সব খাবারই নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে খাওয়া যায়। সাধারণত রেড মিট, অ্যালকোহল ও ফাস্ট ফুড ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে খাওয়া যায় না। আর কোন-কোন খাবারগুলো খাওয়া যায়, সেটা জানা আছে কি?
ভিটামিন সি: এই পুষ্টি দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার পাশাপাশি অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বের করতে সাহায্য করে। লেবুজাতীয় ফলের রস, বেরিজাতীয় ফল খেলেই দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি মিলবে এবং ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
লো ফ্যাট দুধ: ‘ফুল ক্রিম’ বা ‘ফুল ফ্যাট’ যুক্ত দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলুন। তবে, ‘ডবল টোনড’ বা ‘স্কিমড’ দুধ খেলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে। এই দুধের তৈরি টক দই খেতে পারেন। টক দই দিয়ে তৈরি বাটার মিল্ক, ঘোল খেলেও উপকার পাবেন।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শারীরিক প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গাউটের ব্যথা কমাতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খান। চিয়া সিড, আখরোট, সামুদ্রিক মাছে এই পুষ্টি পাবেন। সামুদ্রিক মাছ হিসেবে পমফ্রেট, ইলিশ খান। টুনা, ট্রাউটের মতো পিউরিন থাকে, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়াতে পারে।
ফাইবারযুক্ত খাবার: ফাইবারে ভরপুর খাবার ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ওটস, ব্রাউন রাইস, সবুজ শাকসবজির মধ্যে ফাইবার পাবেন। ঢ্যাঁড়শও খেতে পারে কিন্তু।
উদ্ভিজ্জ প্রোটিন: ইউরিক অ্যাসিড বেড়েছে বলে সম্পূর্ণরূপে প্রোটিন খাওয়া বন্ধ করবেন না। প্রাণীজ প্রোটিনের বদলে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন বেছে নিন। শাকসবজির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ডাল, বীজ, দই ইত্যাদি খেতে পারেন।
