Weight Loss Story: ৩ মাসে ২৩ কেজি ওজন কমানো! কী ভাবে অসাধ্য সাধন করলেন ব্যবসায়ী
ফিটনেস কোচ সাফ জানিয়েছিলেন ওজন না কমাতে পারলে শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। এর পর ফিটনেস কোচের পরামর্শ মেনে চলতে শুরু করেন তিনি। ক্যালোরি মেপে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়ামও করা শুরু করেন। আর এতেই হয়েছে কেল্লাফতে। ৮৭ দিনে তিনি ২৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি।

মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে ব্যবসা করেন দীপক পুষ্কর নামের এক ব্যক্তি। মহারাষ্ট্র জুড়েই তাঁর ব্যবসা। ব্যবসার কাজ এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের জেরে দিনে দিনে মোটা হচ্ছিলেন তিনি। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তাঁর পরিবার। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই বাইরের খাবার খাওয়ার পাশাপাশি মদ্যপানও করতেন। এর জেরে দিনে দিনে বেড়েছিল ওজন। তার জেরে শরীরের একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। তার পর তিনি ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফিটনেস কোচ সাফ জানিয়েছিলেন ওজন না কমাতে পারলে শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। এর পর ফিটনেস কোচের পরামর্শ মেনে চলতে শুরু করেন তিনি। ক্যালোরি মেপে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়ামও করা শুরু করেন। আর এতেই হয়েছে কেল্লাফতে। ৮৭ দিনে তিনি ২৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ প্রায় তিন মাসেই তিনি কমিয়েছেন বিপুল ওজন। এর জেরে তাঁকে দেখতে লাগছে অনেক ঝরঝরে। এবং যাঁরা ওজন কমানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন, তাঁদের সামনেও ইতিবাচক উদাহরণ তৈরি করলেন ওই ব্যবসায়ী।
দীপক জানিয়েছেন ৮৭ দিনে তিনি ২৩.২ কেজি ওজন কমাতে সমর্থ হয়েছেন। ফিটনেস কোচের পরামর্শ মেনে রোজ ২ হাজার ক্যালোরির বেশি খাবার খেতেন না। সেই সঙ্গে দেহের বিভিন্ন অংশের নড়াচড়া হয়, এ রকম ব্যায়াম করতেন। এর পাশাপাশি ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম দিতেন। এবং বাড়িতে এসে ব্যবসার কাজের উদ্বেগ সরিয়ে রাখতেন মন থেকে। যাপনে পরিবর্তন এনেই স্থূলতার কবল থেকে তিনি মুক্তি হতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
দীপক যখন অত্যধিক মোটা ছিলেন, তখন তিনি কাজে যেমন উৎসাহ পেতেন না, তেমনই সারাদিনই উদ্যোমের অভাব বোধ করতেন। কিন্তু ওজন ঝরিয়ে ঝরঝরে শরীর পাওয়ার পর কাজ করার উদ্যোম কয়েক গুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন দীপক।
ওজন কমানোর সময় তিনি কী খেতেন?
প্রতি দিন ২ হাজার ক্যালোরির খাবার খেতেন দীপক। সকালে ২টো ডিম ও পাউরুটি, ৫ গ্রাম বাটার, এবং ১২৫ মিলি দুধ খেতেন। দুপুরে লাঞ্চ সারতেন রুটি, চিকেন, সব্জি এবং ডাল দিয়ে। এই খাবারে ক্যারোরি পরিমাণ থাকত ৭০০ ক্যালোরি। স্ন্যাকের পরিমাণ ছিল ২০০ ক্যালোরি। রাতের খাবারও থাকত ৭০০ ক্যালোরির মধ্যেই। সেই সঙ্গে রোজ সাড়ে ৮ হাজার স্টেপ হাঁটতেন তিনি। এ ভাবেই ওজন কমিয়ে পরিবারের লোকেদের তাক লাগিয়ে এখন বেজায় খুশি দীপক।
